রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


সাদ্দাম হোসেন, শ্রীপুর (গাজীপুর)

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০২:১৩ এএম

ফ্লাইওভারের ওপর ময়লার স্তূপ, দুর্ভোগ

সাদ্দাম হোসেন, শ্রীপুর (গাজীপুর)

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০২:১৩ এএম

ফ্লাইওভারের ওপর  ময়লার স্তূপ, দুর্ভোগ

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট মাওনা চৌরাস্তা ফ্লাইওভারের ওপর রাতের আঁধারে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা নিয়মিতভাবে ময়লা ফেলে যাচ্ছে। প্রায় ৮-১০ দিন ধরে জমতে থাকা এসব আবর্জনা এখন পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও সড়ক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গতকাল শনিবার সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ফ্লাইওভারের মাঝামাঝি ঢাকামুখী লেনের একটি অংশজুড়ে প্লাস্টিক, খাবারের বর্জ্যসহ বিভিন্ন আবর্জনার স্তূপ পড়ে রয়েছে। সেখান থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে আশপাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। চলমান গাড়ির ধাক্কায় এসব ময়লা সড়কের ওপর ছড়িয়ে পড়ছে, ফলে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলাচলকারী গণপরিবহন-চালকেরাও এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ জানাচ্ছেন। ঢাকা গামী ‘সৌখিন এক্সপ্রেস’-এর চালক কাদির বলেন, প্রায় ১০ দিন ধরে ফ্লাইওভারের ওপর এই ময়লা পড়ে থাকতে দেখছি। দুর্গন্ধ তো আছেই, তার ওপর গাড়ি চালাতে ভয় লাগে। ময়লা ছড়িয়ে রাস্তাটা পিচ্ছিল হয়ে গেলে এক্সিডেন্টের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

মাওনা চৌরাস্তা গাজীপুর অঞ্চলের অত্যন্ত ব্যস্ত ও জনবহুল এলাকা। এখানে প্রতিদিন হাজারো মানুষ, দোকানপাট, শপিংমল ও পরিবহনের চাপ থাকে। এমন স্থানে মহাসড়কের ওপর ময়লা ফেলে রাখা বায়ুদূষণ বাড়িয়ে মানুষের শ্বাসকষ্ট, বমিভাবসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টেও দীর্ঘদিন ধরে বড় বড় আবর্জনার স্তূপ দেখা যাচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, আশপাশের কিছু ব্যবসায়ী নিয়মিতভাবে রাস্তার ধারে ও ফ্লাইওভারের ওপর ময়লা ফেলেন, যা সড়ক ও পরিবেশকে নোংরা এবং ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।

ফ্লাইওভারের নিচের অংশেও বছরের পর বছর ধরে ময়লা জমে থাকলেও সেগুলো অপসারণের কার্যকর উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।

মাওনা চৌরাস্তা একসময় তীব্র যানজটের জন্য পরিচিত ছিল। এই সমস্যা সমাধানে সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন (পশ্চিম) ২০১৩ সালের ২৬ অক্টোবর ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ শুরু করে। ২০১৫ সালের এপ্রিলে উদ্বোধনের পর যানজট অনেক কমে। তবে বর্তমানে ফ্লাইওভারের ওপর জমে থাকা ময়লা নতুন করে দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে।

মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, মহাসড়কে যত্রতত্র ময়লা ফেলা রোধে আমরা আশপাশের সব ব্যবসায়ীকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছি। ফ্লাইওভারের ওপর যে ময়লার স্তূপ পাওয়া যাচ্ছে, এগুলো দিনের বেলায় কেউ ফেলছে না, রাতের অন্ধকারে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ফেলে রেখে যাচ্ছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। কারা এ কাজের সঙ্গে জড়িত, তাদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। শনাক্ত করা গেলে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।

পরিবেশবিদরা বলছেন, দেশের মহাসড়কে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ময়লা ফেলার প্রবণতা বাড়ায় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন, সড়ক কর্তৃপক্ষ এবং নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!