আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। আকারের দিক থেকে এটিই হবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের বিশাল এই বাজেট বাস্তবায়নে রাজস্ব আয়েরও বিরাট লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। তা অর্জনে এবার ভ্যাট খাতে বড় ধরনের সাহসী সংস্কার আনতে চাইছে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ভ্যাটের জালের আওতায় আনা হচ্ছে। ভ্যাট নিবন্ধন ছাড়া আর কোনো ব্যবসা চালানো যাবে না। শুধু তা-ই নয়, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ঋণ নেওয়া, ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া থেকে শুরু করে জরুরি সাত সেবায়ও ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হচ্ছে। তবে সরকার ভ্যাটের জালের বিস্তার বাড়ালেও নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে বেশ কিছু ভালো পদক্ষেপ নিয়েছে। চাল, গম, আলু, মসলাসহ ৬০টি নিত্যপণ্যে থাকা উৎসে কর কমিয়ে দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব থাকছে বাজেটে। এ ছাড়া নিত্যপণ্যের ক্ষেত্রে থাকছে না রেগুলেটরি ডিউটিও। সেই সঙ্গে শিল্পের বিকাশে কাঁচামাল আমদানিতে থাকা উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব করা হতে পারে আগামী বাজেটে। সাধারণ মানুষকে করের বোঝা থেকে মুক্তি দিতে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করা হচ্ছে। আয়করের ৫ শতাংশের স্তরটিও বাতিল করা হচ্ছে। আর শিল্পের খরচ না বাড়াতে অপরিবর্তিত থাকছে সব খাতে করপোরেট করের হার। আর বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পথ বাড়াতে সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিংয়ের আয়ে কর অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে।
জানা যায়, সরকারি হিসাবেই দেশে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১ কোটি ১৭ লাখ। নিয়ম অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠান ভ্যাটের আওতায় থাকার বাধ্যবাধকতা আছে। তবে কোটির বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিপরীতে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান মাত্র ৭ লাখ ৭৫ হাজার। ফলে বিপুলসংখ্যক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাটই দেয় না। ভ্যাটের জাল বাড়াতে সরকার বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের বার্ষিক টার্নওভারের সীমা ৩ কোটি টাকা থেকে কমিয়ে ৫০ লাখ টাকায় নামিয়ে এনেছে। ফলে ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন দ্রুত বাড়ছে। ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়াতে দেশের ৪৬৫টি বণিক সমিতিকে সদস্য তালিকা জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানই আর ভ্যাটের আওতার বাইরে থাকতে পারবে না। সে লক্ষ্যে বাজেটে সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকেই ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এমনভাবে শর্তের মারপ্যাঁচ রাখা হচ্ছে, যাতে কোনো প্রতিষ্ঠানই চাইলেও আর ভ্যাট নিবন্ধন না করে পারবে না। নতুন অর্থবছরে জরুরি সাতটি সেবার ক্ষেত্রে অবশ্যই বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) নিতে হবে। জানতে চাইলে নিট পোশাক খাতের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘ব্যবসার জন্য ব্যাংক হিসাব খোলা, ঋণ নেওয়া, বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংযোগ নেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের সেবার প্রয়োজন হয়। এসব ক্ষেত্রে ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করলে তা ব্যবসা সহজীকরণের পথের অন্তরায়। সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল ব্যবসা সহজ করা। নতুন শর্ত যোগ করে তা কঠিন করা নয়। তবে এই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন যদি করতেই হয়, তাহলে বিআইএন নিবন্ধন ও সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম সম্পূর্ণ অনলাইনে, স্বয়ংক্রিয় ও হয়রানিমুক্ত করতে হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বাজেট প্রস্তাবে বলা হবে, কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, এনবিএফআই বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চলতি হিসাব বা এসটিডি হিসাব খোলা ও পরিচালনা, ঋণ নেওয়া, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন, মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসেসে মার্চেন্ট হিসাব খোলা, ট্রেড বডির সদস্যপদ গ্রহণ-নবায়ন, প্রতিষ্ঠানের নামে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ নেওয়া এবং বিআরটিএ থেকে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে যানবাহনের নিবন্ধন নিতে ভ্যাট নিবন্ধিত হতে হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় আরও বলছে, ভ্যাটের আওতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। বাজেটে ব্যবসায়ী বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যিনি আমদানি, ক্রয়, অর্জিত বা অন্য কোনোভাবে সংগ্রহ করা পণ্যের আকৃতি, প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য বা গুণগত পরিবর্তন না করে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি বা হস্তান্তর করেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তারা বলছেন, যাদের ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় আসা উচিত, তাদের ভ্যাটের আওতায় আনতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা থাকলে সিটি করপোরেশন, জেলা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানও ভ্যাট দিতে বাধ্য হবে। নিবন্ধন নিয়ে বিকাশ, নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে ভ্যাট দিতে পারবে। এতে অন্তত ২০ লাখ প্রতিষ্ঠান নতুন করে ভ্যাটের আওতায় আসবে।
ভ্যাটের আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি আসছে বাজেটে বেশ কিছু পণ্যে প্রথমবারের মতো ভ্যাট বাসানো হচ্ছে। আগে দেশে তৈরি করা বিলাতি মদের উৎপাদন পর্যায়ে কোনো ভ্যাট ছিল না। এই খাতে শুধু মাদকশুল্ক পেত সরকার। তবে স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় পণ্যের ব্যবহার কমানো ও রাজস্ব আদায় বাড়ানোকে মাথায় রেখে প্রতি লিটারে ৫০০ টাকা সুনির্দিষ্ট ভ্যাট আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এ ছাড়া স্বর্ণালংকার সহজলভ্য করতে এবং ভ্যাট আদায় বাড়াতে প্রতি ভরি স্বর্ণালংকার এবং প্রতি ক্যারেট ডায়মন্ডে ২ হাজার টাকা সুনির্দিষ্ট ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত নিতে পারে সরকার। আগে শতকরা পাঁচ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হতো। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বলছে, এতে পাঁচ বছরের ব্যবধানে আদায় ১৮ গুণ বাড়বে। বর্তমানে স্ক্র্যাপ লোহা ও শিপ স্ক্র্যাপের বিভিন্ন ধরনের এমএস পণ্যের উৎপাদন পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট হারে ভ্যাট দিতে হয়। এই হার ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত। তবে আগামী বাজেটে এসব পণ্যে সুনির্দিষ্ট ভ্যাটের পরিমাণ বেড়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৪০০ টাকা হতে পারে। ভ্যাটহারে কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই সিগারেট খাতে। তবে সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে আগামী বাজেটে।
এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নানা শর্তের বেড়াজালের মধ্যে কর রেয়াত বাতিলের পরিবর্তে শিল্পের বিকাশে কর অবকাশসুবিধা অব্যাহত রাখছে। আর কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় উৎপাদন উৎসাহিত করতে নতুন নতুন খাতে দেওয়া হচ্ছে কর রেয়াত। এ ছাড়া উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে জনসাধারণের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে হচ্ছে না করারোপ। উল্টো নিত্যপণ্যের উৎসে কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিতে চায় সরকার। জনতুষ্টির এই বাজেটে বিশাল আয়ের চ্যালেঞ্জের মধ্যে কর ছাড়ে মনোযোগী সরকার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আগামী অর্থবছরের বাজেটে জনজীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ে এমন কিছু করা যাবে না বলে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, যার কারণে কিছু কিছু খাতের সানসেট ক্লজ বা কর রেয়াতের প্রজ্ঞাপনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বাড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে আগামীর সঙ্গে তাল মেলাতে দেশীয় বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদন এবং আমদানিতে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ সুবিধা। আর বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ বাড়াতে ফ্রিল্যান্সিংয়ের আয় করা হচ্ছে করমুক্ত। শিল্পের বিকাশে নতুন নতুন খাতে কর রেয়াত দেওয়ার প্রস্তাব করা হতে পারে।
সূত্র জানায়, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে চাল, গম, আলু, মসলাসহ ৬০টি নিত্যপণ্য থাকা উৎসে কর কমিয়ে দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব থাকছে। এ ছাড়া নিত্যপণ্যের ক্ষেত্রে থাকছে না রেগুলেটরি ডিউটিও। সেই সঙ্গে শিল্পের বিকাশে কাঁচামাল আমদানিতে থাকা উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব করা হতে পারে আগামী বাজেটে। এ ছাড়া সাধারণ মানুষকে করের বোঝা থেকে মুক্তি দিতে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করা হচ্ছে। যদিও চলতি অর্থবছরের বাজেটে এটা ঘোষিত ছিল। তবে পরের অর্থবছরে এই করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা করার ঘোষণা আসছে বাজেটে। এ ছাড়া আয়করের ৫ শতাংশের স্তরটি বাতিল করা হচ্ছে। এছাড়া কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আয় করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করতে পারেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সূত্র আরও জানায়, আগামী বাজেটে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন ২০৩৫ সাল পর্যন্ত করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করা হতে পারে। এ ছাড়া ব্যবহারকারীদের বিল পরিশোধে থাকছে ৫ শতাংশ রেয়াত সুবিধা। আর সৌরবিদ্যুতের উপকরণ আমদানি ২০৩১ সাল পর্যন্ত করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করতে পারেন অর্থমন্ত্রী। দেশে পরিবেশবান্ধব গাড়ি ব্যবহার উৎসাহিত করতে ইলেকট্রিক গাড়ির রেজিস্ট্রেশনে আগাম আয়কর ২ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা করা হচ্ছে। এর বাইরে কর রেয়াত সুবিধা পাচ্ছে স্থানীয়ভাবে ইলেকট্রিক গাড়ি ও ই-বাইক উৎপাদনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। আর এসব গাড়ির ব্যবহার সহজ করতে ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক এবং চার্জিং স্টেশন আমদানিতে থাকা ৫ শতাংশের উৎসে কর প্রত্যাহার হচ্ছে। বাজেটে জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে থাকা ৫ শতাংশ আগাম কর প্রত্যাহার করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে স্বর্ণ ও অলংকার সরবরাহে ৫ শতাংশের উৎসে কর কমিয়ে দশমিক ৫ শতাংশ করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোন উৎপাদনে ২২টি কাঁচামালে থাকা উৎসে কর কমে হচ্ছে ১ শতাংশ। সেই সঙ্গে মোবাইল ফোন উৎপাদনে ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স (ভ্যাট) অব্যাহতির মেয়াদ বাড়ছে ২০৩০ সাল পর্যন্ত। সেই সঙ্গে বাতিল হচ্ছে মোবাইল সিমের ওপর থাকা ৩০০ টাকা কর। এছাড়া রপ্তানি আয়ে নগদ প্রণোদনার ওপর থাকা ১০ শতাংশের উৎসে কর কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হচ্ছে আগামী বাজেটে। দেশীয় শিল্প বিকাশে টিভি, ফ্রিজ ও কম্পিউটার সামগ্রী উৎপাদনের ক্ষেত্রে কর অব্যাহতির সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ওষুধ তৈরির ৬৮টি কাঁচামাল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করতে পারেন অর্থমন্ত্রী। সেই সঙ্গে ক্যানসারের ওষুধ তৈরির ৯টি কাঁচামাল আমদানিতে থাকতে পারে কর রেয়াতের সুবিধা। রেগুলেটরি শুল্কহার ৯ স্তর থেকে কমিয়ে ছয় স্তর করা হচ্ছে। আর সিনথেটিক ওভেন ফেব্রিক্স আমদানিতে থাকা ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করা হতে পারে। আর ফ্লোট গ্লাস উৎপাদনে পাঁচটি কাঁচামাল আমদানিতে থাকা ২৫ শতাংশ শুল্ক কমে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হতে পারে বাজেটে। সব ধরনের কার্ড তৈরির কাঁচামালে থাকা ৫ শতাংশের আগাম কর প্রত্যাহার হচ্ছে। এসএমই উদ্যেক্তাদের জন্য ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার কর দিতে হবে না। সেই সঙ্গে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার ট্যাক্স করমুক্ত করা হচ্ছে। সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র আমদানিতে থাকা ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব করতে পারেন অর্থমন্ত্রী। এ ছাড়া কৃষকের খরচ কমাতে সার ও কীটনাশকে থাকা সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট এবং কর বাতিলের প্রস্তাব করা হতে পারে আগামী বাজেটে। হার্টের রিং এবং চোখের লেন্সের ওপর থাকা ১০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করতে পারেন অর্থমন্ত্রী।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন