জামালপুর জেলা কারাগারে থুথু ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই হাজতির মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে মো. পাগলা হযরত (২৫) নামে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন হযরত। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা কারাগারের ভেতরে দুজনের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. পাগলা হযরত জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চেংটিমারি গ্রামের মো. ইমান হোসেনের ছেলে। তিনি বকশীগঞ্জ থানার মামলা নম্বর ১৪, জিআর মামলা নম্বর ২৪২(২)-২৫এর আসামি ছিলেন।
অভিযুক্ত অপর হাজতি মো. রহিদুর মিয়া (৪০) বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর বালুরগাঁও গ্রামের মৃত ছামিউল হকের ছেলে।
কারাগার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে কারাগারের ভেতরে কাশি ও থুথু ফেলাকে কেন্দ্র করে পাগলা হযরতের সঙ্গে রহিদুর মিয়ার কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে রহিদুর মিয়া শৌচাগারের দরজার একটি কাঠের টুকরা দিয়ে পাগলা হযরতের মাথায় একাধিকবার আঘাত করেন। পরে দায়িত্বরত কারারক্ষী ও অন্য হাজতিরা আহত হযরতকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
জামালপুর জেলা কারাগারের জেলার লিপি রানী সাহা বলেন, ‘পাগলা হযরতের মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অপর হাজতি রহিদুর মিয়া বর্তমানে জামালপুর কারাগারে রয়েছে।’

