চোট নিয়ে খেলেও দলকে ম্যাচ জেতানোয় নায়ক বনে গেছেন ব্রাজিলের সুপার স্টার নেইমার। গত শুক্রবার স্পোর্তকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে সান্তোস। সেই ম্যাচে মেডিকেল টিমের অনুমতি না থাকার পরও মাঠে নেমে একটি করে গোল করেছেন এবং আরেকটি গোল করিয়েছেন নেইমার। ঝুঁকি নিয়ে হয়ে গেলেন জয়ের নায়ক। টেবিলের ১৭তম অবস্থানে থাকা সান্তোসের ঝুঁকি ছিল দ্বিতীয় বিভাগে অবনমনের। তবে সেটি আর হয়নি নেইমারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে। ৩ গোলের মধ্যে ২ গোলেই অবদান তার।
নেইমারের নিবেদন নিয়ে কখনো প্রশ্ন ওঠেনি। তবে চোটের সঙ্গে নিয়মিত লড়াই করেই চলছে নেইমারের ক্যারিয়ার। পেশাদার ফুটবলের একটা বিশাল সময় তিনি কাটিয়েছেন চোটের সঙ্গে যুদ্ধ করেই। এর পরও মাঠে যখনই নেমেছেন, তখনই দিয়েছেন নিজের সর্বোচ্চটা। অবনমন অঞ্চল থেকে বের করে এনেছেন তিনি সান্তোসকে। নিজের সামর্থ্যরে সবটা দেওয়া থেকে কখনোই বিরত রাখেননি নেইমার। যেমন চোট নিয়ে গোল করেছেন এবং করিয়েছেনও তিনি। চোট নিয়েও স্পোর্তের বিপক্ষে ম্যাচে সান্তোসকে জেতানোর জন্য রাখলেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। ২৫ মিনিটে নেইমার গোল করে লিড এনে দেন শৈশবের ক্লাবকে। এরপর ৩৬ মিনিটে একটি আত্মঘাতী গোল উপহার পায় নেইমারের ক্লাব। ৬৭ মিনিটে নেইমারের কর্নারে বল পেয়ে হেড দিয়ে ব্যবধান বাড়ান জোয়াও শমিদ। এখনো দুটি ম্যাচ বাকি, তবে সান্তোসকে অবনমন এড়াতে নেইমার তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আপাতত, সান্তোস ১৫তম স্থানে রয়েছে। এই জয়ে ৩৬ ম্যাচ শেষে সান্তোসের ঝুঁলিতে ৪১ পয়েন্ট।

