রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


মাঠে ময়দানে ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৩:০৩ এএম

আদর্শ কোচ নন গম্ভীর: ডি ভিলিয়ার্স

মাঠে ময়দানে ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৩:০৩ এএম

আদর্শ কোচ নন গম্ভীর: ডি ভিলিয়ার্স

ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই টেস্ট ম্যাচ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ভারত। এই হারের পর ভারতীয় দলের সমালোচনা হচ্ছে। বিশেষ করে ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরকে নিয়ে চলছে নানা ধরনের কথাবার্তা। গম্ভীরকে লাল বলের সেটআপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছেন অনেকে। এই আলোচনায় এবার যোগ দিলেন সাবেক প্রোটিয়া ক্রিকেটার এবিডি ভিলিয়ার্স। তার মতে, আদর্শ কোচ নন গম্ভীর।

ভারতীয় অফ স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ইউটিউব চ্যানেলে কথা বলার সময় ডি ভিলিয়ার্স ভারতের সাম্প্রতিক টেস্ট ব্যর্থতা নিয়ে আলোচনা করেন। ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হারের মাধ্যমে ভারত টানা দ্বিতীয়বারের মতো নিজ মাটিতে হোয়াইটওয়াশ হলো। ঘরের মাঠে ভারতের দীর্ঘদিনের দাপট কমতে শুরু করায় গম্ভীরের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে। তার অধীনে ভারত ঘরের মাঠে দুটি টেস্ট সিরিজ হেরেছে, যার মধ্যে রয়েছে গত বছর নিউজিল্যান্ডের কাছে ১২ বছরের মধ্যে প্রথম সিরিজ হার, সেই সঙ্গে ‘সেনা’ (ঝঊঘঅ- সাউথ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া) দেশগুলোর বিপক্ষে টানা পাঁচটি টেস্টে পরাজয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে গম্ভীরের বিপক্ষে বহুবার খেলা ডি ভিলিয়ার্স উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত আবেগ সব সময় কোচিংয়ের ক্ষেত্রে ভালো ফল দেয় না, ‘আমি তাকে একজন আবেগপ্রবণ খেলোয়াড় হিসেবেই চিনতাম। যদি সেই আবেগ ড্রেসিংরুমেও নিয়ে আসা হয়, তাহলে একজন আবেগপ্রবণ কোচ সাধারণত দলের জন্য আদর্শ হন না। অবশ্য তার মানে এই নয় যে, তিনি এভাবেই নেতৃত্ব দেন। প্রতিটি ড্রেসিংরুমের প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হয়, কেউ হয়তো সাবেক কোনো খেলোয়াড়ের নির্দেশনা পছন্দ করে, আবার কেউ এমন কোচের অধীনে ভালো করে, যিনি হয়তো সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলেননি।

গৌতমের অবশ্য দীর্ঘদিনের কোচিং অভিজ্ঞতা রয়েছে।’ সাবেক এই প্রোটিয়া অধিনায়ক আরও জানান, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ শুকরি কনরাড বা গম্ভীরÑ কারও সঙ্গেই সরাসরি কাজ করেননি। তবে কনরাডের শান্ত স্বভাব ও বিশ্লেষণাত্মক পদ্ধতির প্রশংসা করেন তিনি। ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘শুকরি দীর্ঘদিন ঘরোয়া দলগুলোকে কোচিং করিয়েছেন। তিনি শান্ত, পরিসংখ্যান ও সহজাত বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ে সিদ্ধান্ত নেন এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন। তবে এটি তখনই কার্যকর হয়, যখন কাগিসো রাবাদা, টেম্বা বাভুমা এবং এইডেন মার্করামের মতো সিনিয়র ক্রিকেটারদের সমর্থন থাকে।’ ডি ভিলিয়ার্স গ্যারি কারস্টেনের প্রসঙ্গও টেনে আনেন, যার অধীনে তিনি দারুণ সাফল্য পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, একজন সফল সাবেক ক্রিকেটার দায়িত্বে থাকলে অনেক খেলোয়াড় স্বস্তি অনুভব করেন, ‘যখন ড্রেসিংরুমে এমন কেউ থাকেন, যিনি সব ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন, তখন তা আপনাকে আরও ভালো করতে অনুপ্রাণিত করতে পারে।’

ভারতের সর্বশেষ পরাজয়টি ছিল অত্যন্ত শোচনীয়। প্রথম ইনিংসে সেনুরান মুথুসামির প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি এবং মার্কো জানসেনের ঝোড়ো ৯৩ রানে ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪৮৯ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ভারত মাত্র ২০১ রানে গুটিয়ে যায়। দ্বিতীয় ইনিংসে ট্রিস্টিয়ান স্টাবসের সাবলীল ৯৪ রানের সুবাদে সফরকারীরা তাদের লিড ৫৪৮ রান পর্যন্ত বাড়িয়ে নেয়। ৫৪৯ রানের অসম্ভব লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সাইমন হারমারের ৬ উইকেটের তোপে ভারত মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হয় এবং ৪০৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারে, যা তাদের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!