রাজধানীর আদাবরে এক যুবককে অপহরণ করে মারধর ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আদাবর থানায় মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর রূপালী বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে আদাবর রোডের ১৩ নম্বর সড়কে শেলটেক কোম্পানির একটি ভবনের পাশে পরিত্যক্ত রিকশা গ্যারেজ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী মো. সজিবকে কয়েকজন ব্যক্তি জোর করে ওই স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মারধর করে মুক্তিপণ ও চাঁদা দাবি করা হয়। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, একটি রুপার চেইন এবং নগদ ৪৭০ টাকা নিয়ে নেওয়া হয়।
পরে সজিব তার বোন জিতু আক্তারকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে আদাবর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সজিবকে উদ্ধার করে এবং মামলার এজাহারে উল্লেখিত পাঁচজনকে আটক করে।
পুলিশের ভাষ্য, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বাদল মিয়ার বিরুদ্ধে আদাবর থানার নথি পর্যালোচনায় বিভিন্ন ধারায় পাঁচটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় জিতু আক্তার বাদী হয়ে আদাবর থানায় মামলা করেন। মামলাটি পেনাল কোডের অপহরণ, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধর সংক্রান্ত বিভিন্ন ধারায় রুজু করা হয়েছে।
মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আদাবর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহেদ আলীকে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন