× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ০৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৯, ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম

এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৯, ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ইসরাইলি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) গবেষক ড. মায়া অ্যাকারম্যানের মতে, বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রবাহ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পুরো পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করার চেয়ে সরাসরি এআই প্রযুক্তি উন্নয়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করাই বেশি কার্যকর হতে পারে।

মার্কিন ইহুদি সংগঠন মার্কিন জুইশ কমিটির (এজেসি) এক আলোচনায় তিনি বলেন, ইসরাইলপন্থী মহল চাইলে প্রযুক্তিগত ও যোগাযোগভিত্তিক প্রস্তাব নিয়ে সরাসরি এআই কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে।

অ্যাকারম্যানের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উত্থানের সময় ইসরাইল সমর্থক গোষ্ঠীগুলো যে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি, এআই সেই শূন্যতা পূরণের একটি নতুন ক্ষেত্র তৈরি করেছে। তার মতে, বিশেষ করে টিকটকসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মে জনমতের পরিবর্তনের কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরাইলের প্রতি সমর্থন কমেছে।

তিনি বলেন, এআই একই সঙ্গে ঝুঁকি ও সম্ভাবনা দুটোই তৈরি করতে পারে। সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়া গেলে এটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগে পরিণত হতে পারে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এআইভিত্তিক সেবাগুলো ধীরে ধীরে মানুষের প্রধান তথ্যসূত্রে পরিণত হচ্ছে। অনেক ব্যবহারকারী প্রচলিত সার্চ ইঞ্জিনের বদলে চ্যাটজিপিটি কিংবা জেমিনাইয়ের মতো চ্যাটবটের ওপর নির্ভর করছেন। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এই প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অ্যাকারম্যান বলেন, অনেক ইহুদি সম্প্রদায়ের সদস্যের মধ্যে হতাশা রয়েছে, কারণ তাদের ধারণা ইন্টারনেটের বহু উৎসে ইসরাইলবিরোধী বা ইহুদিবিদ্বেষী বলে বিবেচিত তথ্য ছড়িয়ে আছে, যা এআই মডেলগুলোর উত্তরের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে তিনি এই ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি একমত নন। তার মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এআই কোম্পানিগুলো ‘অ্যালাইনমেন্ট’ বা নির্দিষ্ট নীতিমালাভিত্তিক আউটপুট নিয়ন্ত্রণের দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলে এআই সিস্টেমগুলো কেবল ইন্টারনেটের তথ্য হুবহু পুনরুত্পাদন না করে, কোম্পানিগুলোর নির্ধারিত নির্দেশনা ও নীতির আলোকে উত্তর তৈরি করছে।

এই বাস্তবতার কারণেই তিনি এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। তার বক্তব্য, অনলাইন জগতের বিশাল তথ্যভাণ্ডার বা সামাজিক মাধ্যমের প্রবাহকে প্রভাবিত করার চেয়ে এআই কোম্পানিগুলোর কাছে নির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত ও যোগাযোগভিত্তিক প্রস্তাব তুলে ধরা অধিক ফলপ্রসূ হতে পারে।

অ্যাকারম্যানের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এটি ইঙ্গিত দেয় যে ইসরাইলপন্থী গোষ্ঠীগুলো এআইকে ভবিষ্যতের বয়ান ও তথ্যপ্রভাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, এমন দৃষ্টিভঙ্গি ইসরাইল, জায়নবাদ, ফিলিস্তিন প্রশ্ন কিংবা ইসরাইলি নীতির সমালোচনা সম্পর্কিত এআই-নির্ভর তথ্যপ্রবাহকে প্রভাবিত করার চেষ্টা নিয়ে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিতে পারে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!