ঢাকা মঙ্গলবার, ০৯ জুন, ২০২৬

জার্মানিতে বিএনপির উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন

জার্মানি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জুন ৯, ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

জার্মানির বার্লিনে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন) রাজধানী বার্লিনের ভোজন বিলাস রেস্তোঁরায় দোয়া মাহফিল ও মরহুম রাষ্ট্রপতির জীবনী নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করে জার্মানি শাখা বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠন।

দোয়া মাহফিলে প্রয়াত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মরহুম বেগম খালেদা জিয়া ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোসহ জুলাইয়ে নিহত ও আহতদের সবার জন্য মোনাজাত করা হয়। কোরআন তেলাওয়াত করেন মো. আলী জীবন।

এরপর জার্মান বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা আবু হানিফ ও বাবুল বেপারীর যৌথ সঞ্চালনে ও জার্মান বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রউফ মাস্টারের সভাপতিত্বে সভায় ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব মো. মোস্তাক মিয়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা বিএনপি কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বরিশাল শেরেবাংলা ডিগ্রি কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি ও জার্মান বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থী কাজী রেজাউল হক সাঈদ, জার্মান বিএনপির সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নানা জালাল, উপদেষ্টা হামিদুল ইসলাম হেলাল, জার্মান বিএনপির সিনিয়র নেতা আবু হানিফ, সিনিয়র নেতা গিয়াসউদ্দিন টিপু, মাসরুল আলম বাবলি, বার্লিন বিএনপির সাবেক সভাপতি জসিম সিকদার, সিনিয়র নেতা নিজাম দোকানদার, জার্মান বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস মিয়া, আব্দুল কাদের, আলমগীর ভুঁইয়া, মাহমুদুল হক, কাজী জাহাঙ্গীরসহ যুবনেতা পলাশ আহমেদ, মোহাইমিনুল ইসলাম মিশু, হাসিব উদ্দিন, রুহেল আহমেদ, শফিকুল ইসলাম শফিক, সোহেল চৌধুরী, শহীদ আহমেদ, মুকিত আহমেদ ও ইফতি সোহাগসহ আরো অনেকে।

বক্তারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন রণাঙ্গণের একজন অকুতোভয় বীর সৈনিক। বাংলাদেশকে রক্ষায় এবং গণতন্ত্রের পথে দেশকে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে মাথা উচুঁ করে তুলে ধরতে শহীদ জিয়ার বলিষ্ঠ ভূমিকা আজও স্মরণীয়। তাই তার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দেশের তরে সবাইকে এগিয়ে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বক্তারা আরও বলেন, বিএনপি ১৭ বছর পর বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতায় এসেছে। এই শাসন ক্ষমতার পেছনে জুলাইয়ের রক্ষক্ষয়ী আন্দোলন, অনেক রক্ত, সংগ্রাম, গুম ও ত্যাগের ইতিহাস আছে। সেই ইতিহাসের দিনগুলোর কথা ভুলে না গিয়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে সবার মাঝে তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তি বাড়াতে জার্মান বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

এদিকে আগামী দিনে জার্মান বিএনপির একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে জার্মান বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। কোন পকেট কমিটি কিংবা সিলেকশন নয় বরং কাউন্সিলে ভোটাভুটির মাধ্যমে ত্যাগী, কর্মঠ, প্রবাসী, দেশের কল্যাণে আত্ম নিবেদিত ও রাজনৈতিক ইতিহাস সমৃদ্ধরাই জার্মান বিএনপির নেতৃত্ব দিবেন এমন প্রত্যাশা ছিল সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের। পরে সভায় আমন্ত্রিত সকলের মাঝে তবারুক বিতরণ শেষে নগরীর দুস্থ ও গৃহহীনদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।