× UCB Sticker Card
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬, ০৩:১১ এএম

বিশ্বের বৃহত্তম বাঁধ নির্মাণ শুরু চীনের

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬, ০৩:১১ এএম

বিশ্বের বৃহত্তম বাঁধ নির্মাণ শুরু চীনের

তিব্বতের ইয়ারলুং সাংপো নদীর নি¤œ অববাহিকায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে চীন। ভারতের অরুণাচল প্রদেশ সীমান্ত থেকে অল্প দূরত্বে গড়ে উঠতে যাওয়া এই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ায়। সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় ভারতও নিজেদের বৃহৎ জলবিদ্যুৎ ও নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে। চীনের নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৬০ হাজার মেগাওয়াট। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটি বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হবে। বিশাল এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি নদীর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণেও সক্ষমতা অর্জন করবে বেইজিং। এর জবাবে ভারত অরুণাচল প্রদেশের আপার সিয়াং ও সিয়াং জেলায় প্রস্তাবিত ‘সিয়াং উজান বহুমুখী প্রকল্প’ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। প্রায় ১১ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটি হবে ভারতের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। প্রকল্পটি থেকে বছরে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং পানি ব্যবস্থাপনায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইয়ারলুং সাংপো নদী ভারতীয় ভূখ-ে প্রবেশের পর সিয়াং নামে পরিচিত হয় এবং পরে ব্রহ্মপুত্র নদে রূপ নেয়।

এই নদী উত্তর-পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়েছে। ফলে উজানে এত বড় বাঁধ নির্মাণের প্রভাব শুধু ভারত নয়, ভাটির দেশগুলোর ওপরও পড়তে পারে। পরিবেশবিদদের আশঙ্কা, নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহে পরিবর্তন এলে কৃষি, মৎস্যসম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং নদীকেন্দ্রিক অর্থনীতি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে হঠাৎ পানি ছেড়ে দিলে ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা এ ধরনের পরিবর্তনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভারত সরকার জানিয়েছে, তারা চীনের প্রকল্পের অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনায় তথ্য আদান-প্রদান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চীনের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রকল্প শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আঞ্চলিক পানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং ভূরাজনৈতিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ফলে বিশ্বের বৃহত্তম এই বাঁধ নির্মাণ দক্ষিণ এশিয়ার নদী ও পানি ব্যবস্থাপনায় নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!