× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫, ০৫:২৮ পিএম

পুলিশের ছেড়ে দেওয়া কাভার্ড ভ্যান থেকে ভারতীয় জিরা ও শাল জব্দ করল বিজিবি

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫, ০৫:২৮ পিএম

কাভার্ড ভ্যানটি। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

কাভার্ড ভ্যানটি। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

লালমনিরহাটে পুলিশের দুই দফা তল্লাশি শেষে রহস্যজনকভাবে ছেড়ে দেওয়া একটি কাভার্ড ভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা ও শাল-চাদর জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১৫ বিজিবি)।

গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে শহরের সোহরাওয়ার্দী মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব পণ্যসহ ভ্যানটি জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের আনুমানিক বাজার মূল্য ২৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো ওই অভিযানে কাভার্ড ভ্যানটি থেকে ২ হাজার ৫১১ কেজি ভারতীয় জিরা ও ১৮০টি ভারতীয় শাল উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনার পেছনে পুলিশ ও ডিবি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, বিজিবির অভিযানের একদিন আগে ২৩ ডিসেম্বর রাতে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী এলাকায় এ. জে. আর কুরিয়ার সার্ভিসের এই কাভার্ড ভ্যানটি আটক করে সদর থানা পুলিশ। সদর থানা পুলিশের এএসআই আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে তল্লাশি চালানো হলেও কোনো অবৈধ পণ্য পাওয়া যায়নি বলে দাবি করে পুলিশ। তবে গাড়িটি থানায় না নিয়ে শহরের আলোরূপা মোড় এলাকায় একটি গোপন স্থানে রাখা হয়।

পরদিন ২৪ ডিসেম্বর রাত নয়টার দিকে ডিবি পুলিশ পুনরায় ওই গাড়িটি আটক করে তল্লাশি চালায়। ডিবি পুলিশের দাবি, আমদানির বৈধ কাগজপত্র দেখানোর পর তারা গাড়িটি ছেড়ে দেয়। কিন্তু ডিবি পুলিশ ছেড়ে দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই বিজিবি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানকৃত পণ্যসহ গাড়িটি জব্দ করে।

জব্দকৃত ভারতীয় জিরা ও শাল-চাদর জব্দ। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

পার্শ্ববর্তী জেলা কুড়িগ্রামের ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি, ওই কাভার্ড ভ্যানে জিরা ও শালের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস সামগ্রী ছিল। 

এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের কসমেটিকস ব্যবসায়ী মারুফ হোসেন জানান, ওই গাড়িতে তার প্রায় এক লাখ টাকার পণ্য ছিল। তবে বিজিবির অভিযানে কসমেটিকসের কোনো হদিস মেলেনি। ধারণা করা হচ্ছে, পুলিশ ও ডিবির হেফাজতে থাকা অবস্থায় কসমেটিকসগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

লালমনিরহাট সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল মতিন জানান, গাড়িটি থানায় আনা হয়নি, বাইরে তল্লাশি করে কিছু না পাওয়ায় সেটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, এএসআই আক্তার হোসেন গাড়িতে কোনো অবৈধ পণ্য না থাকার দাবি করলেও কসমেটিকস গায়েবের বিষয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি অবগত হয়েছি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে কোনো পুলিশ সদস্যের গাফিলতি বা সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি বলেন, ‘চোরাচালান দেশের অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় বিজিবির এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

Link copied!