× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের পাশে রয়েছে সরকার : প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম

প্রবাসী আহমেদ আলীর মরদেহের কেবিনের সামনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

প্রবাসী আহমেদ আলীর মরদেহের কেবিনের সামনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি প্রবাসী আহমেদ আলীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। 

সোমবার (৯ মার্চ) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। পরে তিনি নিজ হাতে মরদেহটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেন।

সকাল ৮টা ২০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহটি প্রথমে ঢাকায় পৌঁছায়। পরবর্তীতে বিমানের আরেকটি ফ্লাইটে করে সকাল ১১টার দিকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়।

বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেও সেখানে অবস্থানরত শ্রমিক ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশে সরকার রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি বলেন, প্রবাসীরা যেকোনো সংকটে পড়লে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিবারের সদস্যদের মতো তাদের পাশে থাকবে।

মন্ত্রী আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজন বাংলাদেশি নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আহতদের সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।

বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে নিহত আহমেদ আলীর মরদেহ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

নিহত আহমেদ আলী মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে পানি সরবরাহের একটি গাড়ির চালক হিসেবে কাজ করতেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সেখানে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি নিহত হন। তার দুই ছোট ভাই জাকির হোসেন ও বোরহান আহমদ একই শহরে থাকেন এবং তারাই পরিবারের কাছে মৃত্যুর খবর জানান।

এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজা উন নবী, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, সিলেটের জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম এবং সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Link copied!