× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৪, ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম

যৌন নিপীড়নের শাস্তি ‘সামান্য চড়থাপ্পড়’

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৪, ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৭ বছরের এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে সামান্য শারীরিক শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গোলাবাড়ী ইউনিয়নের সংগ্রাম শিমুল গ্রামে। অভিযোগ উঠেছে মধ্যপ্রাচ্য ফেরত আসাদুল ইসলাম (৩৮) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তিনি ওই গ্রামের দুদু শেখর ছেলে। ভুক্তভোগী শিশুটির পিতা একজন ভ্যানচালক। শিশুটি অভিযুক্তের ভাতিজার মেয়ে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, গত ৫/৭ দিন ধরে এলাকায় আসাদুলের বিরুদ্ধে শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে নানা প্রচার চলছিল। অভিযোগ ওঠে, মধ্যপ্রাচ্য ফেরত আসাদুল তার ভাতিজার শিশু সন্তানকে শারীরিকভাবে হয়রানি করেছেন। শিশুটির সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করেছেন এমন তথ্যে গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এলাকায় বিভিন্ন আলোচনা চলছিল, যার পরিণতিতে এই সালিশ অনুষ্ঠিত হয়।

ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার এক পর্যায়ে অভিযোগের বিষয়ে মধুপুর থানায় মামলা করার চেষ্টা হয়। অজ্ঞাত কারণে তা শেষ পর্যন্ত হয়নি। 

পরে রোববার বিকেলে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। ওই গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার হোসেন আলী, টিয়া মতিসহ বেশ কয়েকজনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অভিযুক্তকে শারীরিকভাবে শাস্তি (চড়-থাপ্পড়) দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মোবাইল ফোনে জিজ্ঞেস করলে হোসেন আলী সালিশের মাধ্যমে বিষয়টির মীমাংসার কথা স্বীকার করেন। তার ফোন থেকেই এসটিভি ৫২ নামের একটি টিভি চ্যানেলের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে আসাদুজ্জামান খালেক নামের একজন জানান, ধর্ষণের প্রমাণ মেলেনি। ঘটনাটি নিজেদের মধ্যে। তাই উভয় পক্ষের শান্তির জন্য অভিযোগ ওঠার কারণে কঠিন শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

মধুপুর থানার ওসি এ কে এম ফজলুল হক জানান, একটি শিশু ইভটিজিংয়ের অভিযোগ থানায় আসার কথা শুনেছি, তবে পরে আর কেউ অভিযোগ দেয়নি। এ ধরনের ঘটনা সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা করার মতো নয়। আমরা থানায় অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!