ঢাকা শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ভোটের ছুটিতে সবার জন্য যেসব বিধিনিষেধ

রূপালী ডেস্ক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ০২:৪৫ পিএম
নির্বাচন কমিশন। ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে আগে-পরে মিলিয়ে চার দিনের ছুটিতে যাচ্ছে দেশ। টানা ছুটির কারণে নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি প্রভাব ফেলবে কি না, এমন আলোচনা যেমন রয়েছে, তেমনি চলাচল কিংবা ভ্রমণের ক্ষেত্রে নির্বাচনি আইনে কী বিধিনিষেধ বা বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেটি নিয়েও চলছে আলোচনা।

ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনের ছুটিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে যান চলাচল। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভোটের দিন ইসির অনুমোদন ছাড়া মোটরসাইকেল থেকে শুরু করে যে কোনো ধরনের যানবাহন চলতে পারবে না।

বিশেষ করে নির্বাচনের আগের রাত থেকেই দূরপাল্লা কিংবা স্বল্পপাল্লার যানবাহন চলাচল কার্যত বন্ধ থাকে। ফলে আন্তঃজেলা বাস, ভাড়া করা গাড়ি কিংবা ব্যক্তিগত যানবাহনে ভ্রমণ প্রায় অসম্ভব।

সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইসি। এ ছাড়া পিকআপ, মাইক্রোবাস, ট্রাক, লঞ্চ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত।

তবে সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন এবং মোটরসাইকেল নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকতার অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। যানবাহনের পাশাপাশি এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় ব্যক্তি চলাচলের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ রয়েছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তা জেসমিন টুলি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নিরাপত্তার কারণে ভোটের দিন এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় চলাচলে কিছু নির্দেশনা থাকে। তবে সাধারণ মানুষের চলাচলে তেমন বাধা নেই। যদিও নির্বাচনে নিরাপত্তার স্বার্থে বহিরাগতরা যাতে এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে, তাই চলাচলে বিধিনিষেধ দেওয়া হয়ে থাকে।’

ভোটের দিন যদি কোনো ভোটার পর্যটন এলাকায় ঘুরতে যান তাহলে তাকে খোঁজ করা বা জবাবদিহি করার সুযোগ আছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, ব্যক্তি স্বাধীনতা হরণ করার মতো এমন কোনো নিয়ম নেই। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সে জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে।