× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৬, ০৬:৪৬ এএম

যুদ্ধের আগুনে ইরানের নেতৃত্বে বড় শূন্যতা

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৬, ০৬:৪৬ এএম

যুদ্ধের আগুনে ইরানের নেতৃত্বে বড় শূন্যতা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। যুদ্ধের শুরু থেকেই দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা একের পর এক নিহত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্য নিয়েও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। যুদ্ধের প্রথম দিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। প্রায় সাঁইত্রিশ বছর দেশটির নেতৃত্ব দেওয়া খামেনির মৃত্যুকে ইরানের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হন। আহত অবস্থায় বেঁচে যাওয়া ছেলে মোজতবা খামেনি পরে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আগামী ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে খামেনিকে দাফন করা হবে। এর আগে তেহরান ও কোমে কয়েক দিনব্যাপী শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। হামলায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ইরানের প্রভাবশালী রাজনীতিক ও সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি লারিজানি। মার্চ মাসে সংঘটিত হামলায় তিনি পরিবারের কয়েকজন সদস্যসহ প্রাণ হারান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দেশটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অন্যতম প্রভাবশালী মুখ ছিলেন। যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত হন বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ পাকপুর। পূর্বসূরির মৃত্যুর পর অল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব পালন করলেও তার নেতৃত্বের অধ্যায় দ্রুতই শেষ হয়ে যায়।

একই সময়ে নিহত হন নৌবাহিনীর প্রধান আলিরেজা তাংসিরি, যিনি দীর্ঘদিন ধরে সামরিক কৌশল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। নিহতদের তালিকায় রয়েছেন অভিজ্ঞ সামরিক কর্মকর্তা আলি শামখানি, গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খতিব, বাসিজ বাহিনীর প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানি এবং সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিরাজি। এ ছাড়া সামরিক সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা আবদুর রহিম মুসাভিও হামলায় প্রাণ হারান। বিশ্লেষকদের মতে, এত অল্প সময়ের ব্যবধানে রাজনৈতিক, সামরিক ও গোয়েন্দা নেতৃত্বের শীর্ষ পর্যায়ে এমন ক্ষয়ক্ষতি ইরানের জন্য নজিরবিহীন। নতুন নেতৃত্বের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্গঠন এবং চলমান সংকট মোকাবিলা করা। যুদ্ধের ক্ষত শুধু প্রাণহানিতেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি বদলে দিয়েছে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্র, ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ধারা এবং সমগ্র অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতাকেও।

 

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!