× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৬, ০৫:৪০ এএম

বললেন জিএম কাদের

সবাইকে খুশি করতে জনতুষ্টিমূলক বাজেট

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৬, ০৫:৪০ এএম

সবাইকে খুশি করতে  জনতুষ্টিমূলক বাজেট

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট মূলত সবাইকে খুশি করার জন্য জনতুষ্টিমূলক একটি বাজেট। বাজেটে যে যা চেয়েছে, তা-ই দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে এবং জনগণকে এক ধরনের স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এই বিপুল পরিমাণ অর্থের সংকুলান কোথা থেকে হবে, সেটি খোদ বাজেট প্রণেতারাও নিজেরা হয়তো বলতে পারবেন না।

গতকাল সোমবার  ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে জাতীয় পার্টি এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

জিএম কাদের বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় এবারের বাজেটকে ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অগ্রযাত্রা’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তবে এটি কীভাবে একটি ‘গণতান্ত্রিক বাজেট’ হলো, তা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অংশ হিসেবে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ব্যাপকভাবে সামাজিক নিরাপত্তা জালের আওতায় আনার যে প্রস্তাব করা হয়েছে এবং সব শ্রেণির মানুষের আকাক্সক্ষা পূরণের যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা মূলত একটি প্রথাগত পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি মাত্র। গতানুগতিকভাবে পূর্বের অর্থবছরের তুলনায় একটি নির্দিষ্ট হারে বৃদ্ধি করে পুরোনো পদ্ধতিতেই এ নতুন অর্থবছরের বাজেট তৈরি ও উপস্থাপন করা হয়েছে।’ 

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে অনেক পণ্যের আমদানি শুল্কে রেয়াত দেওয়া এবং জনআকাক্সক্ষা পূরণে নানা খাতের বরাদ্দকে স্বাগত জানিয়ে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা থাকলেও বাজেট বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যে আয়ের ক্ষেত্র দেখানো হয়েছে, তা অত্যন্ত অনিশ্চিত। প্রস্তাবিত বাজেটে যে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কারণ দেশে বর্তমানে কোনো ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নেই। কলকারখানা প্রতিনিয়ত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ইতোমধ্যে প্রায় ৪০০-এর মতো কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে দেশে বেকারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ^ব্যাপী যে ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, বাজেটে তার কোনো প্রতিফলন বা দূরদর্শিতা দেখা যায়নি।’

দেশের আইনশৃঙ্খলা ও ব্যবসার পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষ এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। রাত ১০টার পর মানুষ রাস্তা দিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটতে পারছে না। সাধারণ মানুষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছে, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে ব্যবসা-বাণিজ্যে।

বাজেটের গাণিতিক বিশ্লেষণ তুলে ধরে জিএম কাদের জানান, প্রস্তাবিত বাজেটে প্রাক্কলিত পরিচালন ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য এ খরচ কমানোর কোনো সুযোগ নেই, বরং তা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিচালন ব্যয়ের বিপরীতে সম্পূর্ণ রাজস্ব আহরণ ব্যবহার করার পরেও আরও অতিরিক্ত ২ লাখ ২৯ হাজার ৬১১ কোটি টাকা ঘাটতি থাকবে।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!