× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২৬, ০১:০০ এএম

হামের রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ছাড়াল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২৬, ০১:০০ এএম

হামের রোগীর সংখ্যা  ১ লাখ ছাড়াল

দেশে দুই দশক বাদে হামের যে প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, তাতে শনাক্ত ও সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ১০ হাজার ৭৭৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া আরও ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের শরীরে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। সবমিলিয়ে ১৫ মার্চের পর থেকে মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬৭৭ জনে। এর মধ্যে সবশেষ একদিনে শনাক্ত হয়েছেন ১৩৯ জন। যারা নিশ্চিত হাম রোগী। সন্দেহজনক রয়েছেন ১ হাজার ৯ জন। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে আর কয়েকদিনের মধ্যে হাম মহামারি আকার ধারণ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে ভর্তির হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন, যার মধ্যে ৭০ হাজার ৫০৩ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। চলতি বছরের শুরু থেকেই দেশে হামের প্রকোপ দেখা দেয়। তবে ফেব্রুয়ারির শেষদিক থেকে তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোগটি নিয়ে পরিসংখ্যান ও তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণ শুরু করে। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুসারে, ২০০৫ সালে ২৫ হাজারের বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাতে সন্দেহজনক রোগীর মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭৩ জন। এর বাইরে শনাক্ত ৯৩ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে এ বছর হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬৬ জনে। এর আগে গত ২০ বছরে হামে এত মৃত্যু দেখেনি বাংলাদেশ।

এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ২৯৭ জন ঢাকায় মারা গেছে। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৮৯, সিলেটে ৭৫, চট্টগ্রামে ৫৮, বরিশালে ৫৭, ময়মনসিংহে ৫৫, খুলনায় ২৭ ও রংপুরে ৮ জন মারা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে যেকোনো ধরনের জ¦র উঠলেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. তুষার মাহমুদ রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, করোনার সময় আমরা যেমনটা দেখেছি সরকারের পক্ষ থেকে সংক্রমণ রোধে প্রচার জোরদার ছিল। কিন্তু হামের ক্ষেত্রে এমনটা দেখা যাচ্ছে না। যদিও সরকার অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে এবং একটা বড় অংশ শিশু টিকার আওতায়ও এসেছে কিন্তু জ¦র উঠলেই যে শিশু বা বয়স্ক যে কাউকেই আইসোলেটেড করে নিতে হবে সেটা ঢালাওভাবে প্রচার করা হচ্ছে না। হাম অতি সংক্রামক একটি রোগ। কোনো বাড়িতে এক শিশুর হাম হলে যদি তাকে সঙ্গে সঙ্গে আইসোলেশনে নেওয়া না হয় তা হলে তা অন্য শিশুতে ছড়িয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, ওই শিশু থেকে পুরো গ্রাম পর্যন্ত সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যেহেতু টিকার ফল এখনো দেখা যাচ্ছে না সেহেতু নিজেদের সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি। এখন ডেঙ্গুর সময়ও। তাই জ¦র ওঠার সঙ্গে সঙ্গে হাম না ডেঙ্গু তা নিশ্চিত হতে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। নইলে মহামারি রোধ করা অসম্ভব।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!