× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম

এক শিক্ষকের গলা চেপে ধরলেন আরেক শিক্ষক

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম

শিক্ষকের ওপর  হামলার প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন অন্যান্য শিক্ষকরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন অন্যান্য শিক্ষকরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বাবলু মিয়ার ওপর হামলা ও ভয়ভীতির মাধ্যমে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে সিনিয়র শিক্ষক হাবিবুর রহমান সংগ্রামের বিরুদ্ধে। 

এ ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক বাবুল মিয়া। এদিকে সিনিয়র শিক্ষক কর্তৃক হামলার প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন অন্যান্য শিক্ষকরা।

জানা যায়, গত ১৩ জানুয়ারি দুপুর আড়াইটার দিকে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের সামনে শিক্ষকরা অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এ সময় সিনিয়র শিক্ষক হাবিবুর রহমান সংগ্রাম, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সামনে বাবুল মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালান ও গলা চেপে ধরেন। একপর্যায়ে তাকে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়াসহ হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। হামলাকারী ওই শিক্ষকের বিচার দাবি করে ক্লাস বর্জন করেন অন্যান্য শিক্ষকরা। 

এর আগেও ২০২২ সালের মার্চ মাসে এক শিক্ষার্থীকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও তার বাবা-মাকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে অংশ নেন। শিক্ষক হাবিবুর রহমান সংগ্রামের শাস্তির দাবি তোলেন তারা। 

ভুক্তভোগী শিক্ষক বাবুল মিয়া জানান, শারিরীকভাবে লাঞ্ছিতসহ দুই মিনিটের মধ্যে বিদ্যালয় ত্যাগ না করলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয় তাকে। পরে প্রধান শিক্ষকের কাছে বিচার দাবিতে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। 

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সব শিক্ষক সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যকম বন্ধ রাখা হয়। 

অভিযুক্ত শিক্ষক হাবিবুর রহমান সংগ্রাম বলেন, অভিযোগপত্রে একটু বেশি বলা হয়েছে। বিষয়টি সব শিক্ষক বসে মিমাংসা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) বিনয় কৃষ্ণ বসাকের সঙ্গে একাধিকারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুব হাসান বলেন, বিষয়টা জেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা শিক্ষা অফিসার রেবেকা সুলতানা বলেন, এটা দুঃখজনক ঘটনা। সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!