× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বরগুনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম

‘ভোট কাটতে এলে মুগুর মেরে ঠান্ডা করে দেওয়া হবে’ 

বরগুনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. ওয়ালিউল্লাহ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. ওয়ালিউল্লাহ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. ওয়ালিউল্লাহর নির্বাচনি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচনি জনসভায় তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী  প্রার্থীদের উদ্দেশ করে বলেন, ভোট কাটতে এলে মুগুর মেরে ঠান্ডা করে দেওয়া হবে। এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, শনিবার রাতে বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের লাউপাড়া বাজারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন। 

তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রে মা-বোনেরা চুলার আগুন ঠেলে দেওয়া খোঁজদারার (চুলাতে লকড়ি ঠেলে দেওয়ার যে লাঠি) মাথায় জুতা এবং পুরুষরা মুগুর হাতে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। কেউ ভোট কাটতে এলে তাকে মুগুর দিয়ে ঠান্ডা করে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন।

প্রার্থীর এমন বক্তব্যে তালতলীসহ আশপাশের এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন, নির্বাচনের আগেই প্রার্থী কীভাবে ভোট কাটার আশঙ্কার কথা জানলেন। তাদের মতে, এ ধরনের উসকানিমূলক ও ভীতিকর মন্তব্য নির্বাচনি পরিবেশকে অশান্ত করছে।

বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে গত ১৭ বছর বিএনপি ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে জনগণের ব্যাপক সাড়া দেখে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। যাতে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত হন। তারা ওই প্রার্থীর বক্তব্যকে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তা নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির কাছে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!