× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম

লক্ষ্মীপুরে ৪৯৬ কেন্দ্রের মধ্যে অর্ধেকই ঝুঁকিপূর্ণ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনের ভোটাররা। তবে অতীত নির্বাচনে সহিংসতার স্মৃতি এখনো অনেকের মনে আতঙ্কের ছায়া ফেলছে। প্রশাসনের হিসাবে, জেলার মোট ৪৯৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২১৮টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র রয়েছে লক্ষ্মীপুর-২ আসনে। এই আসনের ১৫১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১২টিই ঝুঁকিপূর্ণ তালিকাভুক্ত। এ ছাড়া লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ৩০টি, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ৪০টি এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ৩৩টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চারটি আসনে মোট ৪৯৬টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ২১৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের চার দিন দায়িত্ব পালন করবেন এক হাজার ৩১৩ জন পুলিশ সদস্য, ৬০০ জন সেনাসদস্য, ১০ প্লাটুন বিজিবি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় তিন হাজার নিরাপত্তা কর্মী।

মেঘনা নদীবেষ্টিত উপকূলীয় এই জেলায় অতীতে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতার হার তুলনামূলক বেশি ছিল, যার প্রভাব পড়েছিল ভোটার উপস্থিতিতেও। তবে এবার সেই চিত্র পাল্টাতে চান সাধারণ ভোটাররা। অতীতের তিক্ততা ভুলে তারা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 

ভোটারদের মতে, নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে ভোটের দিন কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যাবে। এ জন্য তারা শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ২১৮টি কেন্দ্রকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ এবং ১৯৮টি কেন্দ্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। কোনো ধরনের সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা বা অনিয়মের চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!