× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

‎সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২, ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম

‎সিরাজগঞ্জে ‘জ্বিনের বাদশা’ গ্রেপ্তার

‎সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২, ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম

জ্বিনের বাদশা মো. আব্দুল হামিদ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

জ্বিনের বাদশা মো. আব্দুল হামিদ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

‎সিরাজগঞ্জে নিজেকে ৪০০ বছর বয়সী ‘জ্বিনের বাদশা’ পরিচয় দিয়ে অলৌকিক ক্ষমতার গল্প ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থেকে প্রায় ২১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে উঠেছে। প্রতারণার অভিযোগে মো. আব্দুল হামিদ (৩৩) নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

‎মঙ্গলবার (২ জুন) সিরাজগঞ্জ সদর থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সিরাজগঞ্জ সদর সার্কেল) নাজরান রউফ এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে  সদর উপজেলার কান্দাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোসা. মমতাজ বেগম (৩১) গত ১ জুন আব্দুল হামিদের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

‎নাজরান রউফ জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রতারণার একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে, তিনি নানা প্রলোভন ও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে আব্দুল হামিদ মোসা. মমতাজ বেগমের অফিসে গিয়ে ‘ইকো ভোল্ট’ নামের একটি সোলার প্যানেলভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের অ্যাপে বিনিয়োগ করলে অল্প সময়ে অধিক লাভ পাওয়া যাবে বলে প্রচার করেন। তার কথায় বিশ্বাস করে প্রায় ১০০ জন গ্রাহক বিনিয়োগ করেন। পরে অভিযুক্ত বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১১ লাখ টাকা সংগ্রহ করে আত্মসাৎ করেন।

‎পরবর্তীতে তিনি ‘সিইএফ’ (CEF) নামের আরেকটি অ্যাপে বিনিয়োগের প্রস্তাব দেন এবং নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে আরও প্রায় ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। একপর্যায়ে ‘ইকো ভোল্ট’ অ্যাপটি অকার্যকর হয়ে যায় এবং গ্রাহকরা তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থের কোনো হিসাব পাননি। এরপর নতুন করে অধিক লাভের আশ্বাস দিয়ে আরও ৪ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়।

‎সব মিলিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

‎পুলিশ জানিয়েছে, গ্রাহকরা টাকা ফেরত চাইলে বা যোগাযোগ করলে তিনি 'Hamkail Moakael' নামের একটি টেলিগ্রাম আইডি ব্যবহার করে নিজেকে জিনের বাদশা পরিচয় দিতেন এবং ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করতেন।

‎মামলার বাদী মমতাজ বেগম বলেন, আমি একটি টিমের লিডার। আমার টিমের ১০০ জন তার ওখানে সবমিলিয়ে ২১ লাখ টাকা ইনভেস্ট করে। পরে দেখি অ্যাপস সাদা হয়ে গেছে। তাই আমি ভয় না পেয়ে থানায় অভিযোগ করেছি।

‎সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. রাকিবুল হাসানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!