× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম

আখাউড়ায় কালবৈশাখির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত জনজীবন

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় কালবৈশাখি ঝড়ে বিপর্যস্ত হয়েছে জনজীবন। ঝড়ের সময় প্রবল বাতাসে উপড়ে গেছে নানা প্রজাতির শতশত গাছ, বিধ্বস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি, ভেঙে পড়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি- ছিঁড়ে গেছে তার ও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ফসলের। ঝড়ের পর থেকে উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা দিয়ে এ কালবৈশাখি ঝড় হয়। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে লোকজন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই আকাশে কালো মেঘ জমতে থাকে। সকাল ৯টার দিকে শুরু হয় দমকা হাওয়া, যা দ্রুতই তীব্র ঝড়ে রূপ নেয় ঝড়ের সঙ্গে ছিল বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টি। ঝড়ের তাণ্ডবে পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়ে, অনেক স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ে ও তার ছিঁড়ে পড়ায় পুরো এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সেই সাথে অনেক কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ির টিনের চাল উড়ে যায়। জমিতে কাঁচা-পাকা বোরো ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ঝড় থামার পর থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামতের কাজ শুরু করে।

উপজেলার মোগড়া এলাকার মো. আলম মিয়া বলেন, সকাল ৯টার দিকে হঠাৎ করে কালবৈশাখি ঝড় শুরু হয়। ঝড়ের সাথে বজ্রপাতও হয়। ঝড় হওয়ার কিছুক্ষণ আগে বিদ্যুৎ চলে যায়। এই ঝড়ে আমার বেশ কয়েকটি গাছ ভেঙে যায়।

কৃষক মো. সাগর মিয়া বলেন, ঝড়ে আমার বেশ কিছু আম ও কাঁঠাল গাছ ভেঙে পড়ে। মো. ইকরাম হোসেন বলেন, সকালে হঠাৎ করে আকাশের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রচন্ড ঝড় শুরু হয়। বাতাসের গতি এত বেশি ছিল যে ঘরের টিন খুলে যাওয়ার উপক্রম হয়। আমরা পরিবারের সবাই আতঙ্কে ঘরের ভেতর একসঙ্গে বসেছিলাম। বাইরে বের হওয়ার কোনো সাহস পাইনি। বজ্রপাতের বিকট শব্দে চারদিক যেন কেঁপে উঠছিল। এরই মধ্যে আমার বেশ কয়েকটি আম, কাঁঠাল, জাম গাছ উপড়ে পড়ে বেশ ক্ষতি হয়।

মো. মুরাদ মিয়া বলেন, হঠাৎ করেই আকাশ কালো হয়ে বাতাস বইতে শুরু করে। বাতাসের তীব্রতা বেশি থাকায় আমার ঘরটি কাঁপতে থাকে, মনে হচ্ছিল ঘরটি যেকোনো সময় উড়ে যাবে। আমরা ভয় পেয়ে যাই। এমন ঝড় আমি দেখিনি। তিনি আরও বলেন, জমিতেরধান দু-এক দিনের মধ্যে কাটার কথা ছিল। কিন্তু বৈশাখী ঝড়ে জমির সব ধানগাছ মাটিতে পড়ে অনেক ক্ষতি হয়। চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যেতে দেখে খুব খারাপ লাগছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. রমজান আলী বলেন, যেভাবে কালবৈশাখি শুরু হয়েছিল তা দেখে ভয় পেয়ে যাই। কালবৈশাখির তাণ্ডবে মুহূর্তের মধ্যে শতশত গাছ উপড়ে পড়ে যায়। ফসলি জমিতে ধান গাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে, পল্লী বিদ্যুতের খুটি উপড়ে পড়ে লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, হঠাৎ করে সকালে কালবৈশাখী ঝড় হয়। এই ঝড়ে অনেক গাছপালা ভেঙে পড়েছে। এ উপজেলায় প্রায় ১০০ হেক্টর জমি হেলে পড়েছে। আশা করছি ঝড় থেমে গেলে তেমন ক্ষতি হবে না।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!