ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

গাজীপুরে গোপনে ছাগল জবাই, পরে সালিশে সমাধান

গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মে ৭, ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

গাজীপুর মহানগরীতে প্রতিবেশীর লালন-পালন করা একটি ছাগল জবাই করে খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। পরে স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বুধবার (৬ মে) মহানগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সালনা এলাকার ‘জামিয়া মাদিনাতুল কুরআন মাদ্রাসা’কে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার পাশের এক নারী কোরবানির উদ্দেশ্যে একটি ছাগল লালন-পালন করছিলেন। ছাগলটি মাঝেমধ্যে মাদ্রাসার ভেতরে প্রবেশ করত। এ নিয়ে ক্ষোভের জেরে মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক গোপনে ছাগলটি ধরে জবাই করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে বিষয়টি গোপন রাখতে মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয় বলেও দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ছাগলটি খুব শখের ছিল। মাদ্রাসার লোকজন সেটিকে ধরে নিয়ে জবাই করেছে। পরে এলাকার লোকজন এসে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছেন।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বলছে, ছাগলটি দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে রোপণ করা গাছের চারা নষ্ট করছিল। এ বিষয়ে মালিককে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

মাদ্রাসার পরিচালকের ছেলে মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ঘটনাটি যেভাবে প্রচার করা হচ্ছে, বাস্তবে তেমন নয়। ছাগলটি বারবার মাদ্রাসায় ঢুকে গাছপালা নষ্ট করছিল। ঘটনার দিন ছাত্ররা সেটিকে আটক করলে ছাগলটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে সেটি জবাই করা হয়। স্থানীয় মুরুব্বিদের উপস্থিতিতে সালিশের মাধ্যমে ছাগলের মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে।’

মাদ্রাসার মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি তৌফিক উদ্দিন বলেন, ‘রাগের মাথায় অনেক সময় ভুল হয়ে যায়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধান হয়েছে। এটি নিয়ে আর বাড়াবাড়ি না করাই ভালো।’