× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ০৮:৪৩ এএম

মৌলভীবাজারে আমন ধানের বাম্পার ফলন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ০৮:৪৩ এএম

হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটা চলছে। ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটা চলছে। ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

বাম্পার ফলনের খবরে গ্রামগঞ্জের কিষান-কিষানিরা এখন ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। নতুন ধানের ম-ম গন্ধে মুখর চারপাশ। মাঠে ধান কাটা, বাড়িতে মাড়াই ও ধান সেদ্ধর কাজ একযোগে চলছে। পুরুষরা ধান মাড়াইয়ে ব্যস্ত থাকলেও নারীরা উঠান তৈরি, ধান শুকানো ও সেদ্ধর কাজে সময় দিচ্ছেন।

পাশাপাশি অনেকেই বোরো মৌসুমের জন্য বীজতলা তৈরির কাজ শুরু করেছেন। জেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামেই নতুন ধানের আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে।

সদর উপজেলার আজমেরু গ্রামের কৃষক বাচ্চু মিয়া বলেন, এবার ধানের ফলন ভালো হয়েছে। পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম ছিল। তবে ইঁদুরের উপদ্রব বেশি হওয়ায় ওষুধে খরচ বেড়েছে। কম্বাইন হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটছি। এ পর্যন্ত ৯০ বিঘা জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। কিন্তু কৃষিযন্ত্রের যন্ত্রাংশ ও মেরামত খরচ অনেক বেশি।

ভূজবল গ্রামের কৃষক কাইয়ুম আবেদীন জানান, তিনি প্রায় ৪৫ কিয়ার জমিতে আমন ধানের চাষ করেছেন। প্রতি বিঘায় গড়ে ১৭ মণ ধান পেয়েছেন। তবে কীটনাশকের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে বলে জানান তিনি।

অপর কৃষক রাজু মিয়া বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ফলন ভালো হয়েছে। আমি ১০ বিঘা জমিতে ব্রি-ধান ৪৯ ও ব্রি-১১ জাতের ধান চাষ করেছি। প্রতি বিঘায় ১৫ থেকে ১৬ মণ ধান পেয়েছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সময়মতো ধান ঘরে তুলতে পেরেছি। তবে ধান রাখার জায়গা না থাকায় কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

মৌলভীবাজার জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি মৌসুমে আমন ধান চাষে অনুকূল পরিবেশ থাকায় এবং পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। কৃষকরা সময়মতো চারা রোপণ ও যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করায় উৎপাদন বেড়েছে।

কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে আমন আবাদে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৮ হাজার ৩৫ হেক্টর জমি, যা পুরোপুরি অর্জিত হয়েছে।

পরিমিত বৃষ্টিপাতের কারণে ধানের খাদ্যঘাটতি হয়নি এবং পোকামাকড়ের আক্রমণ না থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। এ বছর ব্রি-ধান ৪৯, ৫১, ৫২ ও ১০৩ জাতের চাষ বেশি হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ব্রি-ধান ৪৯ প্রায় ৩২ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আসন্ন বোরো মৌসুমে ৬২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বীজতলায় বীজ ছিটানোর কাজ শেষ হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, সরকারি উদ্যোগে টেকসই ও উন্নতমানের ধান মাড়াই মেশিন, ডিজেল ইঞ্জিন, পাওয়ার টিলারসহ অন্যান্য কৃষিযন্ত্র কম মূল্যে সরবরাহ করা হলে উৎপাদন আরও বাড়বে। পাশাপাশি আধুনিক কম্বাইন হারভেস্টার ও রাইস প্লান্টার সরাসরি কৃষকদের মধ্যে বিতরণের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তারা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!