ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম
ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বিচারের দাবিতে মুন্সীগঞ্জে মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর থেকে সাধারণ ছাত্র জনতার ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এতে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি স্থানীয় নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সুপার মার্কেট শহীদ চত্বর এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সড়কে অবস্থান নিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শাস্তি ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীদের দেওয়া বিভিন্ন স্লোগানে শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি উঠে আসে।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যুর প্রায় ৪১ দিন পেরিয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূল অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে শিগগিরই বৃহত্তম আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে কর্মসূচি থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্য ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব শান্তা আক্তার। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন: বিক্রমপুর কালচারাল সেন্টারের পরিচালক হাসানুল বান্না তাসনিম, যুব নেতা রায়হান রাব্বি, রাইসুল আহমেদ, রুইয়াম, ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব নোমান, ছাত্রদলের জুনায়েদ আহমেদ, ছাত্রশিবিরের হরগঙ্গা কলেজ শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ মুজাহিদ এবং সেক্রেটারি আজিজুল হাকিম ও পৌর শিবিরের সভাপতি আল-আশরাফি এবং ইব্রাহিম খলিল, জনশক্তি উন্নয়ন সংস্থার ইব্রাহিম খান জীবন, রাউফুন মীম, আওলাদ হোসেন, সারোয়ার শরিফ সোহান, তানহা। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন তরুণ ছাত্রনেতা আজিজুল হক, ফারদিন হাসান আবির, ইনসান আহমেদ, জিহাদ আহমেদ, শাহরিয়ার আমিনসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য, গত বছর ১২ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকার বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি। এরপর প্রায় ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।