নওগাঁর মহাদেবপুর ও নিয়ামতপুরে পৃথক বজ্রপাতে তিন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আরও দুই কৃষক গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে মহাদেবপুর উপজেলার আলিদেওনা কুড়াপাড়া এবং নিয়ামতপুর উপজেলার রামনগর ও খোদ্দচাম্পা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন: মহাদেবপুর উপজেলার কুড়াপাড়া গ্রামের মৃত হরিচরণ বর্মনের ছেলে দিলিপ চন্দ্র বর্মন এবং নিয়ামতপুর উপজেলার রামনগর গ্রামের পাতু মাহন্তের ছেলে অনুকূল চন্দ্র মহন্ত ও পাশ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার এক কৃষক।
আহতরা হলেন, মহাদেবপুর উপজেলার একই গ্রামের মদনের ছেলে জীবন ও মৃত লক্ষণের ছেলে নারায়ণ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কৃষক দিলিপ বর্মন, জীবন ও নারায়ণ কুড়াপাড়া দিঘীর পাড়ে জমিতে ধান কাটছিলেন। এ সময় প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই দিলিপ বর্মনের মৃত্যু হয় এবং জীবন ও নারায়ণ গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
অন্যদিকে, নিয়ামতপুর উপজেলার রামনগর গ্রামে জমি থেকে ধান তুলে আনার সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই অনুকূল চন্দ্র মহন্তের মৃত্যু হয়। অপরদিকে, একই উপজেলার খোদ্দচাম্পা গ্রামে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে আরও এক কৃষক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহত ওই কৃষক চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার খাসেরহাট ঊঠাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
মহাদেবপুর থানা ওসি ওমর ফারুক একজনের নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের কুড়াপাড়া গ্রামে জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে দিলিপ চন্দ্র বর্মন নামে এক কৃষক নিহত হন।’
নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান দুইজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘হাজিনগর ইউনিয়নে জমিতে ধান কাটার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে এক শ্রমিক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহত শ্রমিক খাসেরহাট ঊঠাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এ ছাড়া চন্দননগর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে জমি থেকে ধান তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে অনুকূল চন্দ্র মহন্ত নামে আরও একজন নিহত হন।’



