× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১১:৪২ এএম

তানোরে প্রবেশপত্রের টাকা ফেরত দিলেন প্রধান শিক্ষক

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১১:৪২ এএম

কলমা উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কলমা উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

জাতীয় দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ পত্রিকাসহ আঞ্চলিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর রাজশাহীর তানোরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কোচিং ফি ও প্রবেশপত্র আটকে প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অতিরিক্ত অর্থ অবশেষে ফেরত দিলেন প্রধান শিক্ষক। তবে সচেতন মহল অভিযুক্ত শিক্ষকের বেতন বন্ধসহ দৃশ্যমান ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্কুলে ডেকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম তাদের কাছে টাকা ফেরত দেন। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোচিং ক্লাসের নামে ২ হাজার এবং প্রবেশপত্র ফি বাবদ ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। তবে কয়েকজন পরীক্ষার্থী এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের অপসারণ দাবি করে টাকা না নিয়েই চলে যায়। এর আগে রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে প্রধান শিক্ষক প্রতিটি পরীক্ষার্থীর অভিভাবকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে এসেছেন। এসবের নেপথ্যে রয়েছে ইউপি বিএনপির এক নেতা ও সাবেক সভাপতি বলে শিক্ষার্থীরা জানান।

প্রসঙ্গত, রোববার (১৯ এপ্রিল) বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা টাকা ফেরত এবং প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে স্কুল চত্বরে অবস্থান নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত ও বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় কৌশলে প্রধান শিক্ষক সটকে পড়েন। পরে সাবেক সভাপতির আহ্বানে প্রধান শিক্ষক স্কুলে আসেন। এ সময় স্কুলের অফিস কক্ষে ব্যাপক হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।  এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

জানা যায়, উপজেলার কলমা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর নিয়মিত ২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে আদায় করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। টাকা না দিলে তাদের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আটকে রাখা হয়। 

পরীক্ষার্থী হাসিবুল ইসলাম বলেন, ফরম পূরণের ২৭০০ টাকা, কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা ও প্রবেশপত্র নিতে ৪০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। 

আনোয়ার হোসেন বলেন, ফরম পূরণের ২৭০০ টাকা ও কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রবেশপত্র নিতে আরও ৫০০ টাকা চেয়েছে। না দেওয়ায় তাকে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়নি।

মিনহাজুল ইসলাম বলেন, রোববার সকালে প্রবেশপত্র আনার জন্য স্কুলে যাই। আমাদের সহকারী শিক্ষক এ সময় ৫০০ টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় আমার প্রবেশপত্র আটকে রাখেন। 

তিনি আরও বলেন, ৫০০ টাকা না দিলে কাউকে এবার প্রবেশপত্র দেওয়া হবে না। আমার পিতা একজন কৃষক। এর আগে অনেক কষ্ট করে ৭ হাজার ৭০০ টাকা দিয়ে ফরম ফিলাপ এবং কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা দিয়েছেন। এখন ৫০০ টাকা দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই। তাই খালি হাতে চলে এসেছি। পরীক্ষা দিতে পারব কি না এটা ভেবে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ.ন.ম মোফাখখারুল বলেন, প্রবেশপত্র দিতে টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে কলমা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কোচিং ক্লাসের টাকা অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কোচিং ক্লাসের টাকা ও প্রবেশপত্র বাবদ নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!