× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০১:২০ পিএম

সরিষার মাঠে হলুদের সমারোহ, ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মৌচাষিরা

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০১:২০ পিএম

মধু সংগ্রহ করছে মৌচাষিরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মধু সংগ্রহ করছে মৌচাষিরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এই সময় পুরো মাঠ যেন হলুদ চাদরে ঢাকা। সরিষার ফুলের সমারোহে মাঠজুড়ে মৌমাছিরা মধু আহরণে ব্যস্ত। হলুদ ফুলের রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা সরিষার মাঠ।

নাগরপুরে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে প্রত্যাশার তুলনায় বেশি সরিষা আবাদ হয়েছে। উপজেলার সদর, গয়হাটা, মোকনা, ভাদ্রা ও মামুদনগরসহ আশপাশের ইউনিয়নের বেশকিছু জমিতে এবার সরিষার আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। কার্তিক মাসে চাষ শুরু হয়ে অগ্রহায়ণেই ফসলে ফুল ফুটেছে। সবুজ-হলুদের সমন্বয়ে পুরো প্রান্তর আলোকময় মনে হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ উপজেলায় পাঁচ জাতের সরিষা চাষ বেশি হয়, যার মধ্যে বারি-১৪, ১৫ ও ১৭ জাতের সরিষা প্রধান। উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষার প্রতি হেক্টরে উৎপাদন প্রায় ১,৩০০ কেজি এবং স্থানীয় জাতের ৯৫০ কেজি।

স্থানীয় চাষি মো. রফিকুল ইসলাম রিপন বলেন, প্রতি একর জমিতে সরিষা চাষে প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। গাছ ভালো হয়েছে এবং ফলনও ভালো।

উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন জানান, সরাসরি বোরন ব্যবহার করলে দানা পুষ্ট হবে এবং ফলন বৃদ্ধি পাবে। জাতভেদে ৮০-১০০ দিনে ফসল ঘরে তোলা যায়। প্রতি কেজি সরিষা থেকে ৩৫০–৪০০ গ্রাম তেল পাওয়া সম্ভব। সরিষার আবাদে বোরো ধানের ফলনও ভালো হয়।

সাতক্ষীরার মৌচাষী সুকুমার মন্ডল (৪০) বলেন, আমি ৩০০ মৌবক্স নিয়ে মাঠে কাজ করছি। আবহাওয়ার কারণে মধু আহরণ কিছুটা কম হচ্ছে। এ বছর মধু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪৫০-৬০০ টাকায়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস.এম রাশেদুল হাসান জানান, উপজেলার মাটি সরিষা আবাদে উপযোগী। এবার ৯ হাজার কৃষকের মধ্যে এক কেজি করে উচ্চ ফলনশীল সরিষার বীজ এবং ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ৪,২০০টি মৌবক্স স্থাপন করা হয়েছে। এই মৌবক্সগুলোতে মধু আহরণে স্থানীয় চাষিরা প্রস্তুত। মধু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৩০-৩৫ হাজার কেজি, যার বাজার মূল্য প্রায় ৮০–৯০ লাখ টাকা।

নাগরপুরের সরিষার হলুদ সমারোহে কৃষক ও মৌচাষীর স্বপ্ন এবং আয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!