ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দর দিয়ে তিন দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. শাহীন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দরে তিন দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে।
তবে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দরে ভারত থেকে সর্বশেষ গত ১০ জানুয়ারি কয়লা প্রবেশ করেছে। এরপর ব্যবসায়ীরা আর কয়লা আমদানি করতে রাজি হননি। ফলে এরপর থেকেই কয়লা আমদানি বন্ধ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩৩৬ গাড়িতে আনুমানিক ৪০ হাজার ৩২ টন কয়লা আমদানি হয়েছে। বন্দরে সরকারি সব নিয়ম মেনে সবসময় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
বন্দরের কাস্টম সুপার মুজাহিদ হোসেন বলেন, নির্বাচনের কারণে দুই বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তবে ভারতীয়রা সবসময় কয়লা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। যত বেশি আমদানি হবে, সরকার ততই রাজস্ব পাবে।
কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক অশোক কুমার অপু বলেন, প্রতি ট্রাকে ১২ টন কয়লা ধরা হয়। একেকটি ট্রাকে ২০০ থেকে ৩০০ কেজি কয়লা বাড়তি থাকে। কয়লা রপ্তানির সময় ভারতীয়রা এই কয়লা ট্রাকে দিয়ে দেয়। এটি অনেক আগে থেকেই চলমান রয়েছে।
কারণ, অনেক গুঁড়া কয়লা ট্রাক থেকে নামানোর সময় পড়ে যায়, আবার অনেক গুঁড়া কয়লা নষ্টও হয়ে যায়। তবে বন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বাড়তি কয়লার জন্য পেনাল্টি (জরিমানা) আরোপ করে। এতে অনেক কয়লা ব্যবসায়ী ক্ষুব্ধ।
তিনি বলেন, নির্বাচনের পর নতুন সংসদ সদস্য পাব। তখন নিশ্চয়ই তিনি বন্দরের এই সমস্যা সমাধান করবেন। নির্বাচনের পর নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলে কয়লা আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে আমরাও ভারতে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানির দিকে মনোযোগ দিচ্ছি।


