ঢাকা শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

শেকৃবির ৯ কর্মচারীর বাসা বরাদ্দ বাতিল, ১৫ জুনের মধ্যে খালি করার নির্দেশ

শেকৃবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে অস্ত্রশস্ত্রসহ সহকারী পরিচালককে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ জন কর্মচারীর নামে বরাদ্দকৃত সরকারি বাসা বাতিল এবং তা আগামী ১৫ জুনের মধ্যে খালি করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রক্টর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ মে প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. আরফান আলীর সভাপতিত্বে প্রক্টরিয়াল বডির একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া, পঙ্গু হাসপাতালের ভিডিও ফুটেজ এবং পুলিশ সোর্সের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিবরণী ও সিদ্ধান্তের অনুলিপি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের নিকট পাঠানো হয়েছে।

তদন্তে দেখা গেছে, গত ১৬ মে পঙ্গু হাসপাতালে ঘটা ওই সহিংস ও হুমকিমূলক ঘটনার সাথে শেকৃবির কর্মচারীরা নিজে অথবা তাদের সন্তান, ভাই ও ভাড়াটিয়ারা সরাসরি জড়িত ছিলেন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে প্রক্টরিয়াল বডির আলোচনায় উল্লেখ করা হয়।

বাসা বাতিলের তালিকায় থাকা অভিযুক্তরা হলেন— খামার শ্রমিক আলামিন, শেরেবাংলা হলের গার্ড সুন মিয়ার ছেলে রাকিব, কীটতত্ত্ব বিভাগের ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট নাজির আলীর ছেলে নাছির, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সিনিয়র পরিচ্ছন্নতা কর্মী মিনারা বেগমের ছেলে জসিম, অপরাজিতা হল-২৪-এর গার্ড নজরুলের ছেলে তুহিন, কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অ্যাটেনডেন্ট মিলনের ছেলে নাসিব, শেরেবাংলা হলের অফিস সহায়ক ফারুকের ছেলে সাজিদ, ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ফাইন্যান্স বিভাগের সিনিয়র অফিস সহায়ক আরিফার ভাই রাকিব এবং কৃষি রসায়ন বিভাগের অফিস সহায়ক মশিউরের ভাড়াটিয়া মেহেদী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উল্লিখিত ব্যক্তিদের নামে বরাদ্দকৃত বাসা বাতিলের সুপারিশসহ আগামী ১৫ জুনের মধ্যে বাসা সম্পূর্ণ খালি করে প্রশাসনের নিকট বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।