ঢাকা শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

সংরক্ষিত আসনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা, আলোচনায় যারা

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
মারদিয়া মমতাজ, নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, সাবিকুন্নাহার মুন্নী ও ডা. আমেনা বেগম (বাম থেকে)। ছবি- সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সরাসরি নির্বাচিত সদস্যদের শপথের পর এখন রাজনৈতিক দলগুলোর নজর সংরক্ষিত নারী আসনের দিকে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সংসদে আসনপ্রাপ্তির আনুপাতিক হারে বিএনপি জোট পেতে পারে ৩৫টি এবং জামায়াতে ইসলামী জোট পেতে পারে ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসন। সংরক্ষিত আসনের জন্য জামায়াতের একটি সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হয়েছে।

আসন অনুপাতে প্রাপ্ত কোটার ভিত্তিতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ইতোমধ্যে দলীয় অন্দরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। এরই মধ্যে ১১টি সংরক্ষিত নারী আসন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় প্রার্থী বাছাইয়ে সক্রিয় হয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নির্ধারণে মহিলা বিভাগের পক্ষ থেকে একটি প্রাথমিক তালিকা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেই তালিকা নিয়ে আলোচনা শেষে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, ‘আমরা পরামর্শ হিসেবে একটি তালিকা দিয়েছি। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

আলোচনায় যেসব নাম

দলীয় বিভিন্ন সূত্রে যেসব সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম আলোচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন—

  • কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা
  • মহিলা বিভাগের আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাবিকুন্নাহার মুন্নী
  • কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্যা ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আমিনা বেগম
  • কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট
  • সম্মিলিত নারী প্রয়াসের সেক্রেটারি ডা. ফেরদৌস আরা খানম
  • ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন
  • ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মারদিয়া মমতাজ

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও বিভিন্ন পেশাজীবী নারীদের মধ্য থেকেও মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। তরুণ এবং দক্ষ বক্তাদেরও প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে।

দলীয় পর্যায়ে আরও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, বিগত সরকারের সময় বিতর্কিত বিচারের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতাদের পরিবারের কয়েকজন সদস্যও সম্ভাব্য তালিকায় থাকতে পারেন।

সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলে দলীয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।