× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১১:০৯ এএম

৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবেবরাত

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১১:০৯ এএম

মহিমান্বিত রজনি, শাবান মাস

মহিমান্বিত রজনি, শাবান মাস

গত ২০ জানুয়ারি রজব মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়। বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হয়। সেই হিসাবে আগামীকাল ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে।

গত ১৯ জানুয়ারি বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন।
 
শাবান মাসের ১৫তম রাতে (১৪ শাবান দিবাগত রাত) শবেবরাত পালিত হয়। শবেবরাতের পরদিন বাংলাদেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকে। এবার এ ছুটি পড়েছে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার)। শাবান মাস শেষেই শুরু হয় মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান। 

 

শবেবরাত বা 'লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান' (শাবান মাসের মধ্য রজনি) ইসলাম ধর্মে অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত। ফারসি শব্দ 'শবেবরাত'-এর অর্থ হলো মুক্তির রাত। অনেকের মতে, এই রাতে পরবর্তী এক বছরের জন্য মানুষের রিজিক, হায়াত এবং সৌভাগ্য-দুর্ভাগ্য বণ্টন বা লিপিভুক্ত করা হয়। তাই এই রাতে ইবাদত ও দোয়া করাকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ মনে করা হয়।

শবেবরাতের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নেই, তবে সাধারণত এই আমলগুলো করা হয়। ইচ্ছামতো নফল নামাজ ও দীর্ঘ সিজদাহ করা, অর্থসহ কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও ইস্তিগফার করে বেশি বেশি মহান আল্লাহর প্রশংসা করা ও ক্ষমা চাওয়া এবং দান-সদকার মাধ্যমে গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করা।

এই রাত সম্পর্কে হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, এই রাত্রিতে ইবাদতকারীদের গুনাহরাশি আল্লাহতায়ালা ক্ষমা করে দেন। তবে আল্লাহর সাথে শিরককারী, সুদখোর, গণক, জাদুকর, কৃপণ, শরাবি, যিনাকারী এবং পিতা-মাতাকে কষ্টদানকারীকে আল্লাহ মাফ করবেন না।

হাদিসে বর্ণিত রয়েছে, যে ব্যক্তি শাবান মাসের চাঁদের ১৫ তারিখে রাতে ইবাদত করবে এবং দিনে রোজা রাখবে, দোজখের আগুন তাকে স্পর্শ করতে পারবে না।

এক হাদিসে এসেছে, নবী কারিম (সা.) বলেছেন, এই রাতে আল্লাহতায়ালা মুমিনদের ডেকে বলেন, এ রাতে আমার যে বান্দা আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। যে বান্দা সুস্বাস্থ্য কামনা করবে, তাকে আমি সুস্বাস্থ্য দান করব। যে বান্দা ধৈর্য কামনা করবে, আমি তাকে ঐশ্বর্যশালী করে দেব।

গুনাহ মাফ ও সাধারণ ক্ষমা ছাড়াও এই রাতের প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফজিলত রয়েছে। একাধিক  হাদিস শরিফ অনুযায়ী, এই রাতে মহান আল্লাহতায়ালা প্রথম আসমানে নেমে আসেন এবং বান্দাদের আহ্বান করেন। তিনি ঘোষণা করেন, ‘আছে কি কেউ ক্ষমা চাওয়ার, যাকে আমি ক্ষমা করব? আছে কি কেউ রিজিক চাওয়ার, যাকে আমি রিজিক দেব?’ এভাবে ফজর পর্যন্ত আল্লাহতায়ালা বান্দার গুনাহ মাফ ও দোয়া কবুল করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!