× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম

মহান আল্লাহর কোনো সৃষ্টিই অনর্থক নয়

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম

মহান আল্লাহর কোনো সৃষ্টিই অনর্থক নয়।  ছবি : সংগৃহীত

মহান আল্লাহর কোনো সৃষ্টিই অনর্থক নয়। ছবি : সংগৃহীত

মহাবিশ্বের বিশাল আকাশ থেকে শুরু করে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বালুকণা-সবকিছুর পেছনেই রয়েছে এক গভীর পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্য। পবিত্র কুরআনের সুরা আল-ইমরানে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, “হে আমাদের পালনকর্তা! আপনি এসব অনর্থক সৃষ্টি করেননি।” (আয়াত: ১৯১)। আধুনিক বিজ্ঞান ও ইসলামের দর্শন উভয়েই আজ একবিন্দুতে মিলিত হয়ে ঘোষণা করছে যে, প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানের রয়েছে নির্দিষ্ট ভূমিকা।

ভারসাম্যের কারিগর ক্ষুদ্র পতঙ্গ
অনেক সময় আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, মশা বা মাছির মতো যন্ত্রণাদায়ক পতঙ্গ সৃষ্টির সার্থকতা কী? পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে, মশার লার্ভা মাছের প্রধান খাদ্য এবং মশা পরাগায়ণে সহায়তা করে। যদি এসব ক্ষুদ্র প্রাণী না থাকত, তবে খাদ্যশৃঙ্খল ভেঙে পড়ত। মহান আল্লাহ কোনো কিছুই অপ্রয়োজনে সৃষ্টি করেননি; বরং প্রতিটি সৃষ্টির মাধ্যমে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করছেন।

মরুভূমি ও সমুদ্রের উপযোগিতা
মানুষের কাছে অনেক সময় মরুভূমিকে পরিত্যক্ত এবং সমুদ্রের নোনা জলকে অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। অথচ মরুভূমি পৃথিবীর তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সমুদ্রের নোনা জল পচন রোধ করে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের বড় একটি অংশ সরবরাহ করে। বিজ্ঞান বলছে, যদি সমুদ্রের পানি মিষ্টি হতো, তবে তা দ্রুত পচে গিয়ে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব অসম্ভব করে তুলত।

কুরআনের ঘোষণা ও বৈজ্ঞানিক সত্য
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন যে, তাঁর সৃষ্টিতে কোনো অসংগতি বা ছিদ্র নেই। মানুষ যদি বারবার দৃষ্টি ফেরায়, তবে সে কোনো খুঁত খুঁজে পাবে না। বিষাক্ত সাপ থেকে শুরু করে তেতো গাছগাছালি—সবকিছুই আজ চিকিৎসাবিজ্ঞানে জীবনদায়ী ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মহাবিশ্বের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ প্রমাণ করে যে, প্রতিটি সৃষ্টির পেছনে একজন মহান কারিগর রয়েছেন। কোনো সৃষ্টিই খেলনা নয় বা লক্ষ্যহীন নয়। মানুষের সীমাবদ্ধ জ্ঞান হয়তো অনেক কিছুর রহস্য তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারে না, কিন্তু সময়ের বিবর্তনে এটি স্পষ্ট হচ্ছে যে, আল্লাহর প্রতিটি সৃষ্টিই মানবকুল ও এই পৃথিবীর জন্য আর্শীবাদস্বরূপ।

সৃষ্টির এই মাহাত্ম্য অনুধাবন করাই হোক আমাদের পরম লক্ষ্য।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!