× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০৯:২৭ এএম

কোরবানীর পশু কেনায় ইসলামী নির্দেশনা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০৯:২৭ এএম

কোরবানীর পশু কেনায় ইসলামী নির্দেশনা। ছবি : সংগৃহীত

কোরবানীর পশু কেনায় ইসলামী নির্দেশনা। ছবি : সংগৃহীত

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। এই উৎসবের প্রধান অনুষঙ্গ হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু কোরবানী দেওয়া। তবে কোরবানীর পশু কেনার ক্ষেত্রে ইসলামে সুনির্দিষ্ট কিছু নীতিমালা ও নির্দেশনা রয়েছে। কেবল বেশি দাম বা বড় আকার নয়, বরং পশুর সুস্থতা ও শরিয়াহর বিধান মেনে কেনাই হচ্ছে প্রকৃত ইবাদতের অংশ। 

১. পশুর বয়সসীমা
কোরবানীর জন্য নির্দিষ্ট বয়সের পশু হওয়া বাধ্যতামূলক। শরিয়ত অনুযায়ী:

গরু ও মহিষ: কমপক্ষে ২ বছর পূর্ণ হতে হবে।

উট: কমপক্ষে ৫ বছর পূর্ণ হতে হবে।

ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা: কমপক্ষে ১ বছর পূর্ণ হতে হবে। (তবে ৬ মাসের হৃষ্টপুষ্ট ভেড়া বা দুম্বা যদি দেখতে ১ বছরের মতো মনে হয়, তবে তা দিয়ে কোরবানী বৈধ)।

২. শারীরিক ত্রুটিমুক্ত হওয়া
পশুটি সব ধরনের বড় শারীরিক খুঁত থেকে মুক্ত থাকতে হবে। যে পশুগুলো কেনা যাবে না:

অন্ধ বা চোখের ত্রুটি: যে পশুর এক চোখ বা দুই চোখই নষ্ট।

অত্যধিক খোঁড়া: যা তিন পায়ে চলে বা চতুর্থ পা মাটিতে রাখতে পারে না।

অসুস্থ ও দুর্বল: যে পশু এতটাই রুগ্ন যে জবাই করার স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে না।

শৃঙ্গ ও কান: যদি শিং গোঁড়া থেকে ভেঙে যায় কিংবা কানের বা লেজের অর্ধেকের বেশি অংশ কাটা থাকে, তবে সেই পশু কোরবানী করা উচিত নয়।

৩. পশুর দাঁত দেখে চেনার উপায়
সাধারণত পশুর বয়স নিশ্চিত হতে দাঁত দেখা হয়। গরুর নিচের পাটিতে অন্তত দুটি স্থায়ী দাঁত (চওড়া দাঁত) উঠলে সেটি কোরবানীর যোগ্য বলে বিবেচিত হয়। তবে বিক্রেতার ওপর বিশ্বাস থাকলে বা জন্মতারিখ নিশ্চিতভাবে জানা থাকলে দাঁত না উঠলেও ২ বছর পূর্ণ হলে কোরবানী সহিহ হবে।

৪. কেনা-বেচায় স্বচ্ছতা
ইসলামে লেনদেনের স্বচ্ছতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পশু কেনার সময় পশুর কোনো লুকানো দোষ থাকলে বিক্রেতার উচিত তা ক্রেতাকে জানিয়ে দেওয়া। আবার পশুর দাম নিয়ে অনর্থক জেদ বা বিক্রেতাকে ঠকানো অনুচিত। স্বচ্ছ ও হালাল উপার্জনের অর্থ দিয়েই পশু কেনা ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত।

৫. ভাগীদারিতে কোরবানী
একটি গরু, মহিষ বা উটে সর্বোচ্চ সাতজন শরিক হতে পারেন। তবে শর্ত হলো, প্রত্যেকের নিয়ত থাকতে হবে ইবাদত। যদি কারো নিয়ত কেবল গোশত খাওয়া হয়, তবে সবার কোরবানীই প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ছাগল, ভেড়া বা দুম্বা কেবল একজনের পক্ষ থেকেই কোরবানী করা যায়।

কোরবানী কেবল একটি আচার নয়, এটি ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর একটি ইবাদত। তাই পশু কেনার সময় লোকদেখানো মানসিকতা পরিহার করে পশুর সুস্থতা ও শরিয়াহর বিধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে পশুর রক্ত বা গোশত পৌঁছায় না, পৌঁছায় কেবল বান্দার তাকওয়া বা পরহেজগারি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!