× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

জবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১২:৪১ এএম

জবির আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টে অনিয়ম ও হেনস্তার অভিযোগ

জবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১২:৪১ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে হেনস্তা ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাইম অভিযোগ করেছেন, খেলার একটি ঘটনাকে ঘিরে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে। একই সঙ্গে টুর্নামেন্ট পরিচালনায় পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন জর্জিস আনোয়ার নাইম। পোস্টে তিনি দাবি করেন, ম্যাচ চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা সোহান প্রামাণিক বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নিবন্ধিত রেফারি দিপুর সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান এবং একপর্যায়ে মারধরের চেষ্টা করেন।

জর্জিস আনোয়ার নাইম তার পোস্টে উল্লেখ করেন, সোমবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী একটি আর্চারি প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলছিল। কর্মশালা শেষে ফিজিক্স বিভাগের একটি মারামারির ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় যেতে হওয়ায় তিনি মাঠে কিছুটা দেরিতে পৌঁছান। পরে জানতে পারেন, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এক খেলোয়াড় লাল কার্ড পাওয়াকে কেন্দ্র করে সোহান প্রামাণিক রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন।

তিনি আরও লেখেন, খেলা শেষে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ জয়ী হওয়ার পর সোহান প্রামাণিক হঠাৎ রেফারির দিকে তেড়ে যান। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে আটকান এবং রেফারিকে নিরাপদে অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।

জর্জিসের অভিযোগ, ড্রেসিংরুমে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা চলাকালে সোহান প্রামাণিক তার সঙ্গে অশালীন ভাষায় কথা বলেন এবং কটূক্তি করেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে তিনি দাবি করেন।

পরে জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ক্রীড়া কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন তাকে নিচে নামিয়ে আনেন। এ সময় সিঁড়ি দিয়ে নামার পথে আরেক ব্যক্তি তাঁকে উদ্দেশ করে অশালীন মন্তব্য করেন এবং হুমকি দেন বলেও ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়।

মাঠে উপস্থিত ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, খেলায় উত্তেজনা থাকতেই পারে। তবে একজন বাফুফে নিবন্ধিত রেফারির সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া সংস্কৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সোহান প্রামাণিক। তিনি বলেন, রেফারির সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়েছিল, কিন্তু মারধরের কোনো চেষ্টা হয়নি। খেলার মাঠে উত্তেজনা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ নেই।

ড্রেসিংরুমে বাকবিতণ্ডার বিষয়টি স্বীকার করলেও অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। তার দাবি, চাইলে তখন উপস্থিত সবার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি যাচাই করা যেতে পারে।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন বলেন, কারও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা টুর্নামেন্ট পরিচালনা উপকমিটির কাছে জানাতে হবে। লোকপ্রশাসন বিভাগকে খেলতে নিষেধ করা হয়েছে—এমন অভিযোগও তিনি নাকচ করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!