× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম

৯৯.৯৪-এর জাদুকর ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম

স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান। ছবি : সংগৃহীত

স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান। ছবি : সংগৃহীত

ক্রিকেটবিশ্বের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান। অস্ট্রেলিয়ার এই কিংবদন্তি ব্যাটার কেবল ক্রিকেট মাঠের রাজা ছিলেন না; ছিলেন এক অস্থির সময়ে পুরো জাতির আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।

১৯০৮ সালের ২৭ আগস্ট নিউ সাউথ ওয়েলসের কুতামুন্দ্রাতে জন্মগ্রহণ করেন ডন ব্র্যাডম্যান। ছোট্ট শহর বোরালে বড় হওয়া ব্র্যাডম্যানের ক্রিকেট হাতেখড়ি ছিল একেবারেই সাধারণ এক পদ্ধতিতে।

ছোটবেলায় গলফ বল ও একটি স্টাম্প নিয়ে বাড়ির পানির ট্যাঙ্কের ইটের দেয়ালে অনুশীলন করতেন তিনি। এই একঘেয়ে অনুশীলনই তাকে তৈরি করে অসামান্য দক্ষ। মাত্র ১২ বছর বয়সে স্কুলের ম্যাচে অপরাজিত ১১৫ রান করে জানান দিয়েছিলেন নিজের প্রতিভার কথা।

১৯২৮ সালে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয় ব্র্যাডম্যানের। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টেই মেলবোর্নে করেন ৭৯ ও ১১২ রান। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ১৯৩০ সালের ইংল্যান্ড সফর। এই সফরে তিনি রেকর্ড ৯৭৪ রান করেন, যা আজও এক সিরিজে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। ১৯৩০ সালে লিডস টেস্টে ৩৩৪ রান করে এক বিরল কীর্তি গড়েন।

ব্র্যাডম্যানের ব্যাটিংয়ের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা। টেস্ট ক্রিকেটে তার ব্যাটিং গড় ৯৯.৯৪। ক্রিকেট বিশ্বে এই সংখ্যার ধারেকাছেও কেউ নেই। তবে ১৯৩২-৩৩ সালের কুখ্যাত ‘বডিলাইন’ সিরিজে তিনি ইংলিশ বোলারদের তীব্র বাউন্সারের মুখে পড়েন, তবুও দমে যাননি।

১৯৪৮ সালে ডন ব্র্যাডম্যানের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়া দল ইংল্যান্ড সফরে যায়। ওই দলকে বলা হতো 'দ্য ইনভিনসিবলস' বা অপরাজেয়। পুরো সফরে তারা কোনো ম্যাচ হারেনি। ১৯৪৮ সালে ওভালে নিজের শেষ টেস্ট ইনিংসে ব্র্যাডম্যানের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৪ রান, গড় ১০০ করার জন্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তিনি 'ডাক' (০) মেরে আউট হন।

১৯৩২ সালে ছোটবেলার বন্ধু জেসি মেনজিসকে বিয়ে করেন তিনি। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই সন্তান ছিল। ক্রিকেট থেকে অবসরের পর তিনি সফল স্টকব্রোকার হিসেবে কাজ করেন। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচক ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ক্রিকেটে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৪৯ সালে তিনি 'নাইটহুড' উপাধি পান।

ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান কেবল একজন ক্রিকেটার ছিলেন না, তিনি ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, বিশেষ করে মহামন্দা ও বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ সময়ে। পরিসংখ্যানের বিচারে তিনি ছিলেন ক্রিকেট ইতিহাসের অনন্যসাধারণ এক ব্যাটার।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ অসুস্থতার পর ৯২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ব্র্যাডম্যান।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!