× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১২:৪০ পিএম

থাই-কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘাত নিরসনে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জোটের বৈঠক

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১২:৪০ পিএম

সীমান্তে থাই সেনার সশস্ত্র টহল। ছবি- সংগৃহীত

সীমান্তে থাই সেনার সশস্ত্র টহল। ছবি- সংগৃহীত

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্ত সংঘাত নিরসনে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) মালয়েশিয়ায় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার শীর্ষ কূটনীতিকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দু’দেশের মধ্যে চলমান এ সংঘাতে এ পর্যন্ত ৪১ জন নিহত ও প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। বৈঠকে গত জুলাই মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া শান্তিচুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার উপায় নিয়ে আলোচনা গুরুত্ব পেতে পারে।

যুদ্ধবিরতি ভেঙে গত ৮ ডিসেম্বর কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড পুনরায় সংঘাত শুরুর পর, দু’দেশ নিয়ে এটাই প্রথম বৈঠক। নতুন করে সংঘাত শুরুর জন্য উভয়েই পরস্পরকে দায়ী করছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের বর্তমান সভাপতি মালয়েশিয়া। কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠেয় এই আলোচনার মাধ্যমে জোটের সদস্য দেশ দুটির মধ্যে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে বলে আশা করছে দেশটি।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম গত সপ্তাহে বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব হলো প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো তাদের শান্তি বজায় রাখার গুরুত্ব বোঝানো।’ বৈঠক নিয়ে তিনি ‘সতর্ক আশাবাদী’।

এর আগে গত জুলাইয়ে পাঁচ দিনের লড়াই শেষে আমেরিকা, চীন ও মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। সাম্প্রতিক সহিংসতায় সেই চুক্তি ভেঙে পড়েছে।

গত অক্টোবরে কুয়ালালামপুরে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে দেশ দুটি রাজি হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন বাণিজ্য চুক্তির আশ্বাস দিয়ে একটি যৌথ ঘোষণাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন।

চলমান এই সংঘাতের জন্য দুই দেশই একে অপরকে দায়ী করছে। আত্মরক্ষার খাতিরে লড়াই করার পাশাপাশি তারা বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে।

রোববার থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া উভয় দেশই জানিয়েছে যে, সোমবারের এই বৈঠক উত্তেজনা প্রশমনে সহায়তা করতে পারে। দুই দেশের সরকারই তাদের শীর্ষ কূটনীতিকদের এই বৈঠকে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারাতী নলিতা আন্দামো একে ‘উভয় পক্ষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই আলোচনার লক্ষ্য হলো ‘শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক’ পুনরুদ্ধার করা।

কম্বোডিয়া বলেছে, ‘যেকোনো মতভেদ ও বিরোধ শান্তিপূর্ণ উপায়ে এবং সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানে তাদের অনড় অবস্থানের কথা তারা পুনর্ব্যক্ত করবে।’

অন্যদিকে মারাতী থাইল্যান্ডের আগের শর্তগুলো আবারও মনে করিয়ে দেন। যার মধ্যে রয়েছে— কম্বোডিয়াকে আগে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করতে হবে এবং সীমান্তে মাইন অপসারণে সহযোগিতা করতে হবে। 

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘কুয়ালালামপুরের আলোচনায় এই শর্তগুলোই আমাদের অবস্থান নির্ধারণ করবে।’

তবে বৈঠকের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত হবে কি না, তার কোনো গ্যারান্টি দেয়নি থাই সরকার। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘মাঠ পর্যায়ে থাই সামরিক বাহিনীর পর্যালোচনার ওপর ভিত্তি করেই কেবল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে।’

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত সপ্তাহে আশা প্রকাশ করেছিলেন যে, মঙ্গলবারের মধ্যে একটি নতুন যুদ্ধবিরতি সম্ভব হবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এই মাসের শুরুতে দাবি করেছিলেন যে, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া লড়াই বন্ধ করতে রাজি হয়েছে।

কিন্তু ব্যাংকক সেই দাবি অস্বীকার করে জানায়, তেমন কোনো যুদ্ধবিরতি হয়নি। গত দুই সপ্তাহ ধরে লড়াই অব্যাহত রয়েছে এবং তা সীমান্তের প্রায় সব কটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

উপনিবেশ আমলের নির্ধারিত ৮০০ কিলোমিটার সীমান্ত রেখা এবং সীমান্তে অবস্থিত বেশকিছু প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের মালিকানা নিয়ে মূলত এই ভূখণ্ডগত বিরোধ চলে আসছে।

 

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!