× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১১:০৯ এএম

মোসাদের ভয়ংকর পরিকল্পনা ভেস্তে দিল ইরান

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১১:০৯ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

তেহরানের উদ্দেশে যাওয়ার আগেই বিপুলসংখ্যক অস্ত্র আটক করেছে ইরান। এতে প্রায় ৬০ হাজার অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে মোসাদের প্রশিক্ষিত ভয়ংকর একটি সন্ত্রাসী চক্র ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী দাবি করেছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরেছে তেহরানভিত্তিক ইরানি সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি।

ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে এই চক্র প্রাণঘাতী হামলা চালাচ্ছিল। শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হওয়া আন্দোলন ধীরে ধীরে বিদেশি মদদপুষ্ট সহিংসতায় রূপ নেয়।

ইরানের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কমান্ড (ফারাজা) এক বিবৃতিতে জানায়, বুশেহর প্রদেশে দাঙ্গাকারীদের কাছ থেকে ৬০ হাজার অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অস্ত্র তেহরানে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। অভিযানের সময় দুজন সন্ত্রাসীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে দেশটির গোয়েন্দা বাহিনী একটি ‘বিপজ্জনক ও সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ শনাক্ত করে এর সদস্যদের গ্রেপ্তার করেছে বলে নিশ্চিত করেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, এই গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য ছিল মানুষ হত্যা করা এবং বিক্ষোভকে রক্তক্ষয়ী সহিংসতায় রূপ দেওয়া।

তেহরানভিত্তিক ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সন্ত্রাসী চক্রটি ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের মাধ্যমে উন্নত নগর যুদ্ধ কৌশলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছিল। সাম্প্রতিক অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে তারা বহু সন্ত্রাসী অপরাধে জড়িত ছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নির্ধারিত মূল হোতাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও নগর যুদ্ধের সরঞ্জাম পাওয়ার পর চক্রটির সদস্যরা রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে চলাচল করে এবং নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে শত শত মানুষ নিহত ও আহত হয়।

সন্ত্রাসী চক্রটির তৎপরতার সঙ্গে সম্পর্কিত যেসব ছবি পাওয়া গেছে, তাতে দেখা যায়, একে-৪৭ রাইফেল, শটগানসহ নানা ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ও স্যাটেলাইট ফোনের মতো যোগাযোগ সরঞ্জাম বিতরণ করা হচ্ছিল। এসব সরঞ্জাম ব্যবহার করে প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসীরা ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে।

এ ছাড়া চক্রটির সদস্যরা সামরিক ও পুলিশ সদর দপ্তরে হামলা চালায়, অস্ত্র লুট করে এবং নগর যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে সেগুলো বিতরণ করে, যাতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ে। অভিযান চলাকালে বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র, গোলাবারুদ ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ সরঞ্জাম উদ্ধার ও জব্দ করা হয়েছে।

ইরানের কর্মকর্তারা এসব দাঙ্গা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সরকারের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করে দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ সরাসরি মাঠপর্যায়ে জড়িত ছিল, যা সংস্থাটি স্বীকারও করেছে।

Link copied!