× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১১:৩৬ এএম

মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরী পাঠানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১১:৩৬ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

নতুন সংঘাত এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যখন আবারও আলোচনায় বসার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক সেই সময় মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় আরেকটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) তিনি এ কথা জানান।

গত সপ্তাহে ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই আলোচনার মাধ্যমে তেহরান ওয়াশিংটনের আন্তরিকতা আঁচ করতে পেরেছে এবং কূটনীতি চালিয়ে যাওয়ার মতো যথেষ্ট ঐকমত্য তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প ওই অঞ্চলে ইতোমধ্যে একটি বিমানবাহী রণতরী (আর্মাডা) পাঠানোর পর এই আলোচনা শুরু হয়, যা নতুন সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছিল। গত বছর ট্রাম্প ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছিলেন। গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় তিনি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিলেও শেষ পর্যন্ত তা থেকে বিরত থাকেন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যদি কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘খুব কঠোর কিছু’ করতে হবে।

ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ তাকে উদ্ধৃত করে বলেছে, ‘হয় আমরা একটা চুক্তিতে পৌঁছাব, নয়তো আমাদের খুব কঠোর কিছু করতে হবে।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরবর্তী দফার আলোচনার তারিখ ও স্থান এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

চ্যানেল ১২ এবং অ্যাক্সিওসকে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তিনি মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর বিষয়টিও ভাবছেন।

মার্কিন কর্মকর্তারা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এশিয়ায় অবস্থানরত ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে থাকা ‘ইউএসএস জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশ’ রণতরী দুটি সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে। তবে এদের যেকোনোটির মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে অন্তত এক সপ্তাহ সময় লাগবে। প্রয়োজনে পেন্টাগন ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে ‘ফোর্ড’ ক্যারিয়ারও মোতায়েন করতে পারে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আলোচনার পর আমরা অনুভব করেছি যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার মতো বোঝাপড়া ও ঐকমত্য রয়েছে।’

তিনি জানান, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উপদেষ্টা আলী লারিজানির মঙ্গলবারের ওমান সফরটি পূর্বনির্ধারিত ছিল। এরপর তিনি কাতার সফরে যাবেন। কাতার মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংকটে মধ্যস্থতার ভূমিকা রেখে আসছে।

এদিকে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার দিকে নজর রাখছেন ব্যবসায়ীরা। এর প্রভাবে মঙ্গলবার তেলের দাম কিছুটা কমেছে।

রয়টার্সের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সম্প্রতি অঞ্চলজুড়ে বিমান ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম জড়ো করা হয়েছে।

বিশেষ করে জানুয়ারির পর থেকে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি কাতারের আল-উদেইদে ট্রাকে মিসাইল লঞ্চার বসিয়েছে মার্কিন বাহিনী। প্রয়োজনে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সুবিধার জন্যই এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!