× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়  প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের  রায়ে স্থগিতাদেশ

সুপ্রিম কোর্টের জন্য আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে গতকাল মঙ্গলবার স্থগিতাদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর সঙ্গে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল শুনানির জন্য আগামী ১৬ জুন দিন ধার্য করেছেন সর্বোচ্চ আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আব্দুল জব্বার ভূঁইয়া, মো. আরশাদুর রউফ এবং অনীক আর হক। অন্যদিকে রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

সচিবালয় যেভাবে বিলুপ্ত করা হয়েছে, তা ‘আদালত অবমাননার শামিল’: শিশির মনির : অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রতিষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় যেভাবে বিএনপি সরকার বিলুপ্ত করেছে, সেটিকে আদালত অবমাননার শামিল বলে বর্ণনা করেছেন বিবাদী পক্ষের আইনজীবী শিশির মনির। তিনি এ-ও বলেছেন, আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশ পাওয়ার আগেই তড়িঘড়ি করে সচিবালয় ভেঙে কর্মকর্তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেশের মানুষের কাছে বিচার বিভাগের প্রতি সরকারের আচরণ নিয়ে নেতিবাচক বার্তা দিয়েছে।

স্থগিত চাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল : সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হাইকোর্টের দেওয়া রায় রাষ্ট্রপক্ষ কেন স্থগিত চেয়েছিল, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। আপিল বিভাগে রায় স্থগিত হওয়ার পর তিনি বলেছেন, ‘রায়টি যদি স্থগিত না করা হয়, তাহলে আমাদের বিচার আইনে বা প্রশাসনে একধরনের স্থবিরতা কাজ করবে। কারণ যে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বতন্ত্র সচিবালয় করা হয়েছিল, সেটি পার্লামেন্ট কর্তৃক গৃহীত হয়নি; বরং এটা আরও অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পার্লামেন্টে পাস করা হয়নি। তিনি বলেন, ‘পার্লামেন্টে যে সংশোধনী আনা হয়েছে, সেখানে অধিকতর যাচাই-বাছাই করার কথা উল্লেখ করা আছে; সেটা করার জন্য সরকারের অবস্থান আমি ব্যাখ্যা করেছি।’

গত ২১ মে হাইকোর্টের রায় চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় আপিল বিভাগে আপিল আবেদনটি দাখিল করে। রাষ্ট্রপক্ষ তাদের আপিলে বলেছে, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়টি ত্রুটিপূর্ণ। এই অনুচ্ছেদ নি¤œ আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত করেছে। অথচ হাইকোর্ট ১১৫ অনুচ্ছেদকে (যা রাষ্ট্রপতিকে নি¤œ আদালতে বিচারক নিয়োগের ক্ষমতা দেয়) অসাংবিধানিক ঘোষণা করেননি।

আপিলে আরও বলা হয়েছে, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ নিজেই একটি অপরিহার্য ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করেছে। এতে রাষ্ট্রপতির জন্য সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে কাজ করার বিধান রাখা হয়েছে, যা অধস্তন আদালতের প্রশাসনিক বিষয়ে বিচার বিভাগের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।

এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ বাতিল করে রায় দেন। রায়ে সরকারকে তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং বলা হয়েছিল যে রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে সুপ্রিম কোর্ট নি¤œ আদালতের বিচারকদের বদলি, পদায়ন ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করবেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!