এক সময় যার নির্দেশে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে নড়াচড়া শুরু হতো। সেই সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ এখন নিজেই আইনি শিকলে বন্দি। গোপালগঞ্জের বাসিন্দা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজন হওয়ার সুবাদে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন বেনজীর। এই কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ছিলেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অন্যতম প্রভাবশালী মুখ। কিন্তু অবসরের পর একে একে সামনে আসে তার দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থ পাচার এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত দেশ ছেড়ে পালিয়েও রক্ষা হয়নি। ইন্টারপোলের সহযোগিতায় দুবাইয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখন চলছে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি।
ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ লর্ড অ্যাকটনের বিখ্যাত উক্তি, ‘ক্ষমতা দুর্নীতির জন্ম দেয়, আর একচ্ছত্র ক্ষমতা জন্ম দেয় একচ্ছত্র দুর্নীতির’। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসনের আলোচিত এই কর্মকর্তার জীবন যেন সেই উক্তিরই বাস্তব প্রতিফলন।
১৯৮৮ সালে পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেন বেনজীর আহমেদ। কর্মজীবনের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাধর পুলিশ কর্মকর্তাদের একজন। ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক এবং পরে আইজিপি হিসেবে টানা এক দশকের বেশি সময় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন।
ক্ষমতার এই উত্থানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে তার দুর্নীতি, প্রভাব ও বিতর্ক। বক্তৃতা-বিবৃতিতে তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন এবং বিরোধী দল মোকাবিলায় কঠোর অবস্থানের কারণে তিনি বারবার আলোচনায় আসেন।
২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে পরিচালিত অভিযানের সময় তিনি ছিলেন ডিএমপি কমিশনার। ওই অভিযান নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে।
একইভাবে ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী দল দমনে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের সামনে বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে রাস্তা অবরোধের ঘটনাও তখন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ডিএমপি কমিশনার, র্যাব মহাপরিচালক ও আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তাকে ক্ষমতার কেন্দ্রের আরও কাছাকাছি নিয়ে যায়।
২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত র্যাবের মহাপরিচালক ছিলেন বেনজীর আহমেদ। এই সময়ে র্যাবের বিরুদ্ধে অসংখ্য বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ ওঠে। যদিও তিনি বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
২০২০ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রে সরকারি কর্মকর্তাদের এক সমাবেশে তখনকার আইজিপি বেনজীর আহমেদ বলেছিলেন, স্বাধীনতা, সংবিধান, রাষ্ট্র ও জাতির জনকÑ নো বডি ক্যান টাচ দেম! বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলো প্রায়ই অভিযোগ করে আসছিল যে, ২০১৮ সালের নির্বাচনে পুলিশ বাহিনীকে সরকারি দলের স্বার্থে ব্যবহার করেছিলেন তিনি। তা ছাড়াও গত এক দশকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার সময় ‘বিরোধী দল দমনে’ নানা পদক্ষেপ নিয়েও বারবার আলোচনায় এসেছেন তিনি। ২০২১ সালের জুনে বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত অভিনেত্রীকে কেন্দ্র করে ঢাকা বোট ক্লাবে ঘটে এক অপ্রীতিকর ঘটনা। এরপর নতুন করে আলোচনায় আসেন বেনজীর আহমেদ। তখন প্রকাশ পায়, বেনজীর আহমেদ নিজেই বোটক্লাবের সভাপতি। একজন কর্মরত আইজিপি কীভাবে একটি অভিজাত বাণিজ্যিক ক্লাবের সভাপতি হন, তা নিয়ে জাতীয় সংসদ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যন্ত ব্যাপক প্রশ্ন ওঠে। বিপুল অর্থ দিয়ে কীভাবে একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই ধরনের ক্লাবের সদস্য হতে পারেন তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে জাতীয় সংসদে। বিশেষ করে একটি বাণিজ্যিক ক্লাবের সভাপতি সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আইজিপি থাকতে পারেন কি না, সে প্রশ্নও উঠেছিল তখন। ওই ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন তৈরি হয়। ওই ক্লাবের একজন সাবেক সভাপতি পরবর্তীতে আটক হন। তারও পরে জেলে যেতে হয় ওই চিত্রনায়িকাকেও।
বেনজীর আহমেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। তিনি ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি নেন। এরপর তিনি নামের আগে ‘ডক্টর’ ব্যবহার শুরু করেন। পরে অভিযোগ ওঠে, ডক্টরেট ডিগ্রি নেওয়ার প্রোগ্রামে ভর্তির যোগ্যতাই তার ছিল না। বেনজীর আহমেদ ডক্টরেট ডিগ্রি নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) প্রোগ্রাম থেকে। সেখানে ভর্তির জন্য স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হয়। শিক্ষাজীবনের সব পাবলিক পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হয়। বেনজীরের তা ছিল না। কিন্তু শর্ত শিথিল করে তাকে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার ডিগ্রি স্থগিত করে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন।
এ ছাড়া সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় বেসরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে পাসপোর্ট নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালে র্যাব মহাপরিচালক থাকা অবস্থায় বিশেষ সুবিধায় তার পাসপোর্ট নবায়ন করা হয়েছিল। বেসরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন তিনি করলে তখন আপত্তি জানিয়েছিল পাসপোর্ট অধিদপ্তর। র্যাব সদর দপ্তরে চিঠিও দেওয়া হয়েছিল। জবাবে র্যাব সদর দপ্তরের তৎকালীন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) আবদুল জলিল ম-ল অবিলম্বে বেনজীরের পাসপোর্ট প্রতিস্থাপনের অনুরোধ করে চিঠি দেন। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বেনজীরকে পাসপোর্ট দেওয়া হয়। ছবি তোলা ও আঙুলের ছাপ নেওয়া হয় তার বাসায় গিয়ে। এটা সরকারি চাকরিবিধি ও পাসপোর্ট আইনে অপরাধ হলেও বেনজীরের কিছুই হয়নি।
২০২১ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র র্যাব এবং কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন বেনজীর আহমেদও। সে সময় তিনি দেশের আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বেনজীর আহমেদকে ঘিরে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় তার বিপুল সম্পদের উৎস। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সরকারি চাকরির বেতন-ভাতার তুলনায় তার এবং পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে। বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি মামলা রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে। এসব মামলায় তাদের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার তথ্য অনুসারে, বেনজীর ৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ২ কোটি ৬২ লাখ টাকা সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। তার স্ত্রীর জীশান মীর্জার ৩১ কোটি ৬৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১৬ কোটি ১ লাখ টাকার তথ্য গোপন করেছেন। তাদের বড় মেয়ে ফারহীন রিশতা বিনতে বেনজীর ৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকার এবং মেজ মেয়ে তাহসীন রাইসা বিনতে বেনজীর ৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এ ছাড়া বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে ঢাকার গুলশানে ৪টি ফ্ল্যাট, ৩৩টি ব্যাংক হিসাব, ১৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ৩টি বিও হিসাব (শেয়ার ব্যবসা করার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) এবং ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রের সন্ধান পায় দুদক। দুদকের আবেদনে এসব সম্পদ জব্দ করার আদেশ দেন আদালত। দুদকের মামলায়ই গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন ঢাকার আদালত।
নিজের এলাকা গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরজুড়ে গড়ে ওঠা ‘সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্ক’কে কেন্দ্র করেই সবচেয়ে বেশি বিতর্ক সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়ে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে বহু মানুষের জমি দখলে নিয়ে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৈরাগীটোল গ্রামে ৬০০ বিঘার বেশি জমির ওপর তিনি গড়ে তোলেন সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্ক।
পরে আদালত পার্কসহ বিভিন্ন স্থাপনা জব্দের নির্দেশ দেন। ২০২৪ সালের জুনেই সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন। নিজের ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরে কয়েকশ বিঘা জমি কেনেন তিনি। এসব জমির প্রায় সবই ছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের। তারা বলছেন, জমি বিক্রি ছাড়া তাদের কোনো উপায় ছিল না। ভয় দেখিয়ে, জোর করে এবং নানা কৌশলে তাদের কাছ থেকে জমিগুলো কেনা হয়।
এদিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ডেমরা-ইছাপুরা সড়কের পাশে ২৪ কাঠা জায়গাজুড়ে একটি বাড়ি করেন বেনজীর আহমেদ। নিজের মেয়ের মালিকানাধীন বাড়িটির নাম দেওয়া হয় সাভানা ইকো রিসোর্ট প্রাইভেট লিমিটেড। এর আগে আনন্দ হাউজিং সোসাইটির নামে স্থানীয় প্রেমানন্দ সরকারের মালিকানাধীন একটি ৫৫ শতাংশের জলাশয় জোর করে ভরাট করা হয়। পরে ভরাট করা ওই জমি ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকায় কিনে নেন বেনজীর আহমেদ। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, এ ছাড়াও সেন্ট মার্টিন, ইনানী সৈকত এবং বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় তার পরিবারের নামে সম্পদের খোঁজ।
দুদকের অনুসন্ধানে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগও সামনে আসে। দুদক ১১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও দুই কন্যাসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে। দুর্নীতির খবর প্রকাশের পর দুদকের অনুসন্ধান শুরু হলে ২০২৪ সালের ৪ মে সপরিবারে দেশ ছাড়েন বেনজীর। তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন মাধ্যমে দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে আর্থিক লেনদেনের তথ্যও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেন এবং পরে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করা হয়। সবশেষে গত ১২ জুন ইন্টারপোলের সহযোগিতায় দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। রোববার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান।
বিশ্লেষকদের মতে, বেনজীর আহমেদের গল্প কেবল একজন ব্যক্তির উত্থান-পতনের কাহিনি নয়। এটি ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন, জবাবদিহির অভাব, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারের একটি বড় উদাহরণ। একসময় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই সাবেক আইজিপি এখন দুর্নীতি, অর্থ পাচার, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত। তার বিরুদ্ধে মামলাগুলোর বিচারিক পরিণতি এখনো বাকি। তবে প্রশাসনিক ইতিহাসে তার নাম ইতোমধ্যে বিতর্কিত অধ্যায়ের অংশ হয়ে গেছে।
ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, ক্ষমতা মানুষকে শিখরে নিয়ে যেতে পারে; কিন্তু জবাবদিহির অভাব সেই মানুষকেই এক দিন গভীর পতনের মুখে ঠেলে দেয়। বেনজীর আহমেদের ঘটনাও যেন সেই পুরোনো সত্যের আরেকটি নতুন উদাহরণ।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন