× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্বপ্না চক্রবর্তী

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৬, ০৫:২৫ এএম

কমিশনহীন দুদকে স্থবির কার্যক্রম

স্বপ্না চক্রবর্তী

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৬, ০৫:২৫ এএম

কমিশনহীন দুদকে  স্থবির কার্যক্রম

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর পরই ভোল পাল্টায় তৎকালীন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর আগে দলটির কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না তুললেও অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো কমিশনও যেন পাল্টে যায়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সরকার সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বাড়তে থাকে দুদকে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর ১৩ আগস্ট থেকে সংস্থাটির অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি পায়। প্রতি কার্যদিবসে নতুন নতুন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কাজ শুরু করে কমিশন। তলব, অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ ও বিভিন্ন দপ্তরে তথ্য চাওয়া শুরু করে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে ভোল পাল্টালেও শেষ রক্ষা হয়নি মঈনউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশনের। বিভিন্ন মামলাকে প্রভাবিত করা এবং অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ওই বছরের অক্টোবরেই পদত্যাগে বাধ্য হন দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহ এবং দুই কমিশনার মো. জহুরুল হক ও আছিয়া খাতুন। এরপর কমিশনবিহীন চলছে দুর্নীতি অনুসন্ধানে নিয়োজিত সংস্থাটি। সম্প্রতি সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের আটক হওয়ার ঘটনায় দুবাইয়ের সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আবুধাবির ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইলেও কমিশন না থাকায় সংস্থাটির কর্মকর্তাদের বেগ পোহাতে হচ্ছে এসব দিতে। যদিও প্রধান বিচারপতি কমিশন গঠনে সার্চ কমিটির প্রস্তাব করেছেন তবে সেই সার্চ কমিটি কবে গঠন হবে আর কমিশনারদের নিয়োগ কবে হবে তা জানে না কেউ।

ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্ট জারিকৃত আসামি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে শতভাগ আন্তরিক সরকার। কিন্তু তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের নথিপত্র চেয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এনসিবি। যদিও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে সেসব নথিপত্র তৈরির প্রস্তুতি চলছে বলে রূপালী বাংলাদেশকে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সব নথিপত্র তৈরির প্রস্তুতি চলছে। এনসিবির চিঠিতে আবুধাবি জানিয়েছে, ইউএইর ‘ফৌজদারি বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিচারিক সহযোগিতা-সংক্রান্ত’ ফেডারেল আইন নম্বর ৩৯/২০০৬-এর ১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি প্রত্যর্পণ চেয়ে বাংলাদেশকে ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক লিখিত আবেদন পাঠাতে হবে। আইন অনুযায়ী প্রত্যর্পণ আবেদনের সঙ্গে আরবি ভাষায় অনূদিত, যথাযথ কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর ও সিলযুক্ত তথ্য ও নথি সংযুক্ত করতে হবে। কমিশন যেহেতু নেই সেহেতু কিছুটা তো বেগ পেতেই হচ্ছে। তবে কাজ হচ্ছে।’

বেনজীরের গ্রেপ্তারের পরেই যেন হুঁশ ফিরেছে সরকারেরও। বেনজীর দুবাইয়ে আটক হওয়ার একদিনের মাথায়ই দুদক কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠনের জন্য দুই বিচারপতির নাম রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। গতকাল সোমবার এ-সংক্রান্ত একটি ফাইল রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেখানে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, সার্চ কমিটিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি, হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সদ্যবিদায়ি সচিব এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হক। এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠি গত ২৪ মে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হয়।

২০২১ সালের ৩ মার্চ কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মঈনউদ্দিন আবদুল্লাহকে দুদকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। পদত্যাগ করা দুই কমিশনারের মধ্যে জহুরুল হক একজন সাবেক জেলা জজ ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সাবেক চেয়ারম্যান। আছিয়া খাতুন সরকারের সাবেক সচিব ছিলেন।

এই কমিশন বিলুপ্তির পর থেকেই মূলত স্থবির দুদকের বেশির ভাগ অনুসন্ধান কার্যক্রম। পদত্যাগের পর দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের নাম প্রস্তাব করতে ওই বছরেরই ১০ নভেম্বর বাছাই কমিটি গঠন করে সরকার। কিন্তু সেই কমিটিও নতুন কমিশন বাছাই করতে ব্যর্থ হয়। এরপর দায়িত্ব নেয় বিএনপি সরকার। দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পর বেনজীর আহমেদের আটকের পর দুদককে আবারও প্রাণবন্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মঈনউদ্দিন আবদুল্লাহ কমিশনের পদত্যাগের পর নতুন কোনো অনুসন্ধান যেমন শুরু করেনি দুদক, তেমনি বিভিন্ন অনুসন্ধানের ঘটনায় মাত্র তিনটি তলব ও একই সংখ্যক মামলা হয়েছে। এর মধ্যে আলোচিত কোনো মামলাও নেই।

দুদকের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগের পর অনেকটাই থমকে গেছে দুদকের নিয়মিত কার্যক্রম। বিশেষ করে অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত, মামলার সিদ্ধান্ত, অভিযোগপত্রের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া ডাকযোগে ও কলসেন্টারযোগে আসা শত শত অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে সেগুলোর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। তবে এসব বিষয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতে চান না দুদক কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, কমিশনের এখতিয়ার ছাড়া গণমাধ্যমে কথা বলায় বিধিনিষেধ রয়েছে। দুদকের আইন অনুযায়ী সবধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমিশনের। কমিশন শূন্য থাকলে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।

যত দ্রুত সম্ভব কমিশন গঠন করার তাগিদ দিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘দুদকের শীর্ষ পর্যায়ে শূন্যতা দুদকের তদন্তসহ সব কার্যক্রমে স্থবিরতা সৃষ্টি করছে বহুদিন। অন্তর্বর্তী সরকারে সময় আমার নেতৃত্বে একটি সার্চ কমিটি হয়েছিল। কিন্তু নানান বাস্তবতায় তখন আর কমিশন গঠন করা সম্ভবন হয়নি। এবার আশা করছি সেটি সম্ভব হবে। কেননা নতুন কমিশন গঠনের আগ পর্যন্ত নতুন করে কারো বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু ও তদন্ত বা মামলার সুযোগ থাকবে না। ফলে দ্রুত নতুন কমিশন গঠনের মাধ্যমে এ শূন্যতা পূরণ করা জরুরি।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের এক কর্মকর্তা রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘প্রতি কার্যদিবসেই দুদকে শতাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। এ ছাড়া দুদকের হটলাইন ১০৬ নম্বরে আরও শতাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। এ ছাড়া বিভিন্ন সমন্বিত জেলা কার্যালয়েও ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। এ সংখ্যাটাও কম নয়। প্রতি কার্যদিবসেই অন্তত ৩০০ অভিযোগ জমা পড়ে। কিন্তু আইন ও বিধি অনুযায়ী এ মুহূর্তে কোনো অভিযোগ আমলে নেওয়ার সুযোগ নেই। কমিশন তাদের বেসিক কাজগুলো করছে। দুদক দ্রুত পুনর্গঠন হলে কাজে গতি পাবে। নতুন নতুন অনুসন্ধান শুরু হবে।’

তিনি জানান, সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে দুদকে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ১২ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলা রয়েছে। ওই মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এই মামলার বাদী দুদক উপপরিচালক মোহাম্মদ জয়নাল আবেদিনের প্রেক্ষিতে আদালতের গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করে। এরই ধারাবাহিকতায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ ইস্যু করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা যায়, দুদকের অনুসন্ধানকালে বেনজীরকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ দেওয়া হলে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট দুদকে সম্পদ বিবরণী জমা দেন। সেখানে তিনি ৫ কোটি ৬৭ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন। তবে তদন্তে দেখা যায়, বেনজীর আহমেদ তার ঘোষণাকৃত সম্পদের মধ্যে ২ কোটি ৬২ লাখ ৮৯ হাজার ৬০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন এবং ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৬৪ হাজার ৭৫১ হাজার টাকার সম্পদের বৈধ উৎস দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন; যা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ বলে দুদকের কাছে প্রমাণিত হওয়ায় ২০০৪ সালের দুদক আইনের ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর পরিচয় গোপন করে পাসপোর্ট নবায়ন ও জালিয়াতির অভিযোগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। বেনজীর ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- পাসপোর্টের সাবেক পরিচালক ফজলুল হক, মুন্সী মুয়ীদ ইকরাম, টেকনিক্যাল ম্যানেজার সাহেনা হক ও বিভাগীয় পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন।

ওই মামলার এজাহারে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ ২০১০ সালের ১১ অক্টোবর ডিআইজি হিসেবে কর্মরত থাকাবস্থায় হাতে লেখা পাসপোর্ট সমর্পণ করে বিভাগীয় অনাপত্তিপত্র ব্যতীত অফিসিয়াল মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)-এর জন্য আবেদন করেন। আবেদন ফরমে ‘অফিসিয়াল’ হিসেবে মার্ক করা হয়। তার আবেদনপত্রের প্রফেশনের ক্রমিকে সরকারি চাকরিজীবী হওয়া সত্ত্বেও জাল-জালিয়াতি, প্রতারণা, অপরাধমূলক অসদাচরণ ও মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে প্রাইভেট সার্ভিস উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে র‌্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকাবস্থায়ও পাসপোর্টের আবেদনপত্রে জালিয়াতি-প্রতারণা, অপরাধমূলক অসদাচরণ ও মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ‘প্রাইভেট সার্ভিস’ উল্লেখ করেন। অন্যান্য সময়েও বিভাগীয় অনাপত্তিপত্র ব্যতীত মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)/ই-পাসপোর্ট (ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট)-এর জন্য আবেদন করেছেন। পাসপোর্ট অধিদপ্তরের আসামিরা বেনজীর আহমেদের দাপ্তরিক পরিচয় সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে জ্ঞাত থেকেও অন্যান্য আসামি বিভাগীয় অনাপত্তি সনদ সংগ্রহ না করে কিংবা যাচাই না করে স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে তার নামে সাধারণ পাসপোর্ট কিংবা ই-পাসপোর্ট ইস্যুর চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দ-বিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দি বাংলাদেশ পাসপোর্ট অর্ডার ১৯৭৩-এর ১১ ধারায় অপরাধ করেছেন। এছাড়াও, বেনজীরে বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ৪টি মামলাসহ পাসপোর্ট জালিয়াতি ও মানিলন্ডারিং মিলিয়ে বিরুদ্ধে মোট ৬টি মামলা রয়েছে। ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুর, বান্দরবানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৩৪৫ বিঘা জমিসহ অঢেল সম্পদের খোঁজ পায় দুদক। এমনকি দেশের গ-ি পেরিয়ে দুবাইতে থাকা দুটি ফ্ল্যাট ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করে সংস্থাটি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!