× UCB Sticker Card
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn
তৈরি হবে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান

আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১৭, ২০২৬, ০৪:৪৯ এএম

আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৪ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল (সিইআইজেড) প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এই মেগাপ্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় আনোয়ারা উপজেলার কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীরে প্রায় ৭৮৩ একর জমির ওপর আধুনিক শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে। এর জন্য ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ধারাবাহিকতায় এই অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) তথ্যানুযায়ী, এই প্রকল্পের আওতায় ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে বহুমুখী জেটি, জেটি লিংক সড়ক, প্রধান সড়ক, পানি সংরক্ষণাগার, গ্যাস ট্রান্সমিশন লাইন, সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (সিইটিপি) এবং দুটি সাবস্টেশন। এ ছাড়া প্রায় ১২ কিলোমিটার বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট ৪ হাজার ১৮৯ কোটি টাকার ব্যয়ের মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা আসবে চীনের এক্সিম ব্যাংক থেকে বৈদেশিক ঋণ হিসেবে এবং ১ হাজার ৭২২ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে।

ভৌগোলিক দিক থেকে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি অত্যন্ত সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। এটি কর্ণফুলী টানেল, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি হওয়ায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় হবে। ফলে চট্টগ্রাম অঞ্চলে একটি আধুনিক শিল্প ও লজিস্টিক কেন্দ্র গড়ে উঠবে।

বেজা আশা করছে, প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় এক লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি কমপক্ষে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আহরণ করা সম্ভব হবে। এটি বাংলাদেশ ও চীনের কৌশলগত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!