× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২৬, ০৬:৩৮ এএম

আদালতে দুই আসামির স্বীকারোক্তি

ধর্ষণের পর শিশু নিছাকে পানিতে ফেলে হত্যা করা হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২৬, ০৬:৩৮ এএম

ধর্ষণের পর শিশু নিছাকে পানিতে ফেলে হত্যা করা হয়

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৫ বছর বয়সি শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর নদীতে ফেলে হত্যার ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে দুই আসামি। গত মঙ্গলবার বিকেলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিচারক তনয় সাহার কাছে তারা এই পৈশাচিক ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

স্বীকারোক্তি প্রদানকারী দুই আসামি হলোÑ ধোবাউড়া উপজেলার গোয়াতলা টাঙ্গাহাটি গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে আরিফ মিয়া (১৯) এবং তাহের উদ্দিনের ছেলে রাকিব মিয়া (২১)। জবানবন্দি শেষে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, আসামিরা জবানবন্দিতে স্বীকার করেছে যে, চারজন মিলে ওই শিশুকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পরও নিছামনি জীবিত ছিল, পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এর আগে গত ১৪ জুন রাতে স্থানীয়রা গোসলের সময় শিশুটির শরীরে ক্ষতচিহ্ন ও রক্তাক্ত অবস্থা দেখে থানায় খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ঘটনার দিন বিকেলে চিপস কিনে বাড়ি ফেরার পথে চার যুবক কৌশলে শিশুটিকে কদম ফুল দেওয়ার কথা বলে কংস নদের পাড়ের নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়।

নিহত শিশুটির বাবা রাজু মিয়া বলেন, ‘আমি আর কিছুই চাই না, শুধু আমার নিষ্পাপ শিশুকে নির্মমভাবে হত্যার বিচার চাই। আমি অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই।’

শিশুর ফুফু ফারহানা ইসলাম ঈশিতা অভিযোগ, ঘটনার পর থেকেই স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য তাদেরকে চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য ও সুরতহাল প্রতিবেদনে জোরপূর্বক নির্যাতন ও হত্যার আলামত পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আরও বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, চার আসামির মধ্যে দুজনকে মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি দুজনকে গতকাল বুধবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত নিসামনি গোয়াতলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের টাঙ্গাটি মধ্যপাড়া গ্রামের রাজু ওরফে লাক মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় গত সোমবার রাতে নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!