দারাজ বাংলাদেশ তাদের কার্যক্রম স্বাভাবিক রেখে প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, বিক্রেতা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করছে। এতে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দীর্ঘ মেয়াদে তাদের ব্যাবসায়িক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দারাজের বিনিয়োগ ও পরিচালনা সংক্রান্ত খবরের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করেছে যে, তাদের নিয়মিত ব্যাবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি বিকাশে অবদান এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।
দারাজ কর্তৃপক্ষ জানান, পরিচালন দক্ষতা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে দারাজ। বাংলাদেশজুড়ে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল বাণিজ্য কার্যক্রম গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার অংশ। দারাজ আরও জানায়, গত এক বছরে তাদের প্ল্যাটফর্মে নতুন করে ৭ হাজারেরও বেশি বিক্রেতা যুক্ত হয়েছেন। যা প্রতিষ্ঠানটির বিক্রেতা ইকোসিস্টেমের ধারাবাহিক সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ তৈরিতে দারাজের এই অঙ্গীকার কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে বৃহত্তর ইকোসিস্টেমে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ছাড়া সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনেও দারাজ সব সময় সক্রিয়। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছিল দারাজ। প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের যৌথ অনুদানে সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি সহায়তা প্রদান করা হয়। দারাজ বাংলাদেশের এক মুখপাত্র বলেন, ‘বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার ও স্মার্টফোনের বিস্তার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ই-কমার্স খাতের সম্ভাবনা প্রসারিত হচ্ছে। তাই ই-কমার্স খাতে বিক্রেতা, ব্র্যান্ড ও গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে দারাজ। এ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন