× UCB Sticker Card
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

যমজ কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২০, ২০২৬, ০২:১২ এএম

যমজ কন্যাসন্তান জন্ম  দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় যমজ কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় এক গৃহবধূকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। শুধু তালাকই নয়, কন্যাসন্তান দুটিকে বিক্রি করে সেই অর্থ দিয়ে দেনমোহর পরিশোধের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগী নারী। ঘটনাটি উপজেলার কাজীরবেড় ইউনিয়নের পুরাতন কোলা গ্রামে ঘটেছে।

ভুক্তভোগী রিনা খাতুন (২২) উপজেলার পুরাতন কোলা গ্রামের প্রয়াত পীর বক্সের মেয়ে। তার স্বামী রাকিবুল ইসলাম একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রিনা খাতুনের সঙ্গে রাকিবুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসার স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। তবে রিনা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে।

রিনা খাতুনের অভিযোগ, গর্ভধারণের ছয় মাস পর চিকিৎসকের পরামর্শে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করলে তার গর্ভে যমজ কন্যাসন্তান রয়েছে বলে জানা যায়। এরপর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন। একপর্যায়ে তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে স্বামী কিংবা শ্বশুরবাড়ির কেউ তার খোঁজখবর নেননি।

তিনি জানান, বাবার বাড়িতেই একটি বেসরকারি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে যমজ কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। বর্তমানে শিশু দুটির বয়স দেড় মাস। তবে এ সময়ের মধ্যে স্বামী বা তার পরিবারের কেউ সন্তানদের দেখতে আসেননি। এমনকি তাদের ভরণপোষণের দায়িত্বও নেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়। কন্যাসন্তান জন্মকে কেন্দ্র করে এমন আচরণকে মানবিক ও সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বিষয়টি তার নজরে এসেছে। শিশুদের টিকাদান কার্যক্রমে অংশ নিতে গিয়ে তিনি প্রথম রিনার কাছ থেকে অভিযোগটি শোনেন। পরে তাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হলে তিনি অভিযোগ জমা দেন।

ইউএনও বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়দের আশা, তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হবে এবং ভুক্তভোগী নারী ও তার শিশুসন্তানদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!