× UCB Sticker Card
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn
এতিমের চালে জালিয়াতি

ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণার অভিযোগ

বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২০, ২০২৬, ০২:৩৮ এএম

ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে এতিমদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি খাদ্য সহায়তার (জিআর) চাল হাতিয়ে নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। থানা ঈদগাহ দারুল কোরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক হাফেজ মো. হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে এই জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন উপজেলার বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।

এতিমদের হক নিয়ে এমন জালিয়াতির ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রকৃত দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে ৫৯৩ নম্বর স্মারকে এতিমদের খাদ্য সহায়তার জন্য একটি তালিকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের দাবি, উপজেলা প্রশাসন থেকে পাঠানো তালিকায় তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম থাকলেও পরবর্তী সময়ে তা পরিবর্তন করে অসাধু উপায়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনা খতিয়ে দেখতে গিয়ে ইউএনও অঞ্জন কুমার দাস দেখতে পান, তার স্বাক্ষর করা সুপারিশপত্রটি পরিবর্তন করে জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হারুন অর রশিদ দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র গড়ে তুলে জেলার বিভিন্ন স্থানে ভুয়া প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ বাগিয়ে নিচ্ছেন। তার অপকৌশল হলোÑ বরাদ্দের চাল পাওয়ার শর্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বরাদ্দের অর্ধেক তাকে দিতে হয়। যারা এই শর্তে রাজি হয় না, তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়।

বালিয়াডাঙ্গী জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করা এবং দালালি করে প্রকল্প পাইয়ে দেওয়া হারুনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এতিমদের চাল মেরে খাওয়া এমন ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।’

এদিকে অভিযুক্ত হাফেজ হারুন অর রশিদ স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তবে মাদ্রাসা প্রধান আব্দুল হামিদ ও অধ্যক্ষ কুসুমউদ্দীনসহ অভিযোগকারীরা বলছেন, হারুন এই জালিয়াতি চক্রের প্রধান। তাকে আইনের আওতায় আনলে অনেক গোপন তথ্য বেরিয়ে আসবে।

এ বিষয়ে ইউএনও অঞ্জন কুমার দাস জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে। স্বাক্ষর জালিয়াতির সঙ্গে কারা জড়িত তা দ্রুত খুঁজে বের করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!