× UCB Sticker Card
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নারীকে ‘আপনি কি সেই মাল’ বলা ওসি এনামুল প্রত্যাহার

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬, ০১:৩৬ এএম

নারীকে ‘আপনি কি সেই মাল’ বলা ওসি এনামুল প্রত্যাহার

নারী বাদীকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য ও চরম অসৌজন্যমূলক আচরণের দায়ে বরগুনার পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল হককে বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) ও পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) এফ এম ফয়সাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

প্রশাসনিক কারণে এ আদেশ জারি করা হলেও ওসির বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণে গড়িমসি, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে হয়রানিমূলক আচরণ এবং সরকারি ফোন রিসিভ না করাসহ নানা অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

জানা যায়, পাথরঘাটার স্থানীয় এক নারী বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে ওসি এনামুল হক তাকে চরম অপমান করেন। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ওই সময় ওসি তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনি কি সেই মাল? ইবলিস যেন কোথাকার।’ ওই সময় উপজেলা বিএনপির নেত্রী ও সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম চৌধুরী জেবু উপস্থিত ছিলেন। তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওসি মামলার বাদীকে উদ্দেশ্য করে ওই আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন।

এ ছাড়া আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মামলা গ্রহণ না করা, নারী বাদীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা এবং এক নারীকে ফেরাউনের সাথে তুলনা করার মতো গুরুতর অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকেও অভিযোগ ছিল যে, ওসি এনামুল তার সরকারি মোবাইল নম্বরে অধিকাংশ সময় ফোন রিসিভ করতেন না, ফলে জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হতেন।

এ বিষয়ে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) মোহাম্মদ শাহেদ চৌধুরী জানান, অফিস আদেশ অনুযায়ী ওসি মো. এনামুল হককে পাথরঘাটা থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে অফিস আদেশে প্রত্যাহারের নির্দিষ্ট কারণ হিসেবে শুধু ‘প্রশাসনিক কারণ’ উল্লেখ করা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!