× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২৬, ০৫:০৬ এএম

 পরমাণু চুক্তি ঘিরে নতুন বিতর্কে ওয়াশিংটন

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২৬, ০৫:০৬ এএম

 পরমাণু চুক্তি ঘিরে নতুন বিতর্কে ওয়াশিংটন

সৌদি আরবের সঙ্গে বেসামরিক পরমাণু সহযোগিতা চুক্তিতে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন শিগগিরই এ-সংক্রান্ত চুক্তি মার্কিন কংগ্রেসে অনুমোদনের জন্য পাঠাবে। এর মাধ্যমে সৌদি আরব ভবিষ্যতে নিজস্ব পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য জ্বালানি কর্মসূচি গড়ে তোলার আইনি সুযোগ পাবে। প্রস্তাবিত চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু শক্তি আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার আওতায় করা হচ্ছে। এই ধরনের চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন সরকার ও দেশটির প্রতিষ্ঠানগুলো সৌদি আরবের সঙ্গে বেসামরিক পরমাণু খাতে কাজ করতে পারবে। গত বছর দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে একটি প্রাথমিক সমঝোতাও হয়েছিল। তবে চুক্তিটি ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ, এতে দীর্ঘদিন ধরে অনুসৃত কঠোর নিরাপত্তা শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বিশেষ করে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি, যাতে সৌদি আরব ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বা ব্যবহৃত পরমাণু জ্বালানি পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করার সুযোগ থেকে বিরত থাকে। এই দুটি প্রক্রিয়াকে পরমাণু অস্ত্র তৈরির সম্ভাব্য পথ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক পরমাণু তদারকির অতিরিক্ত ব্যবস্থায় যোগ দেওয়ার বাধ্যবাধকতাও চুক্তিতে রাখা হয়নি। ফলে নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এই চুক্তি শুধু সহযোগিতার আইনি কাঠামো তৈরি করবে, সৌদি আরবকে পরমাণু প্রযুক্তি বা সক্ষমতা হস্তান্তরে যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য থাকবে না। ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণুশিল্পে নতুন বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সুযোগও সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের উভয় দলের কয়েকজন আইনপ্রণেতা এবং ইসরায়েলের কিছু কর্মকর্তা এ উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে সৌদি আরব পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জনের পথে এগোতে পারে। বিশেষ করে অতীতে সৌদি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করলে একই পথে হাঁটার ইঙ্গিত দেওয়ার বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। চুক্তিটি কংগ্রেসে জমা দেওয়ার পর নির্ধারিত সময় ধরে পর্যালোচনা হবে। এরপর অনুমোদন পেলে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!