× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সেলিম আহমেদ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৫:৪৯ এএম

নজর নৌকার ভোটে

সেলিম আহমেদ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৫:৪৯ এএম

রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার-৪ আসন। আসনটির প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটারই সংখ্যালঘু। তাদের মধ্যে আবার ৭৫ শতাংশ চা-শ্রমিক। দীর্ঘদিন ধরে তারা ভোট দিয়ে আসছেন বর্তমানে নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে। তাদের ভোট নিয়েই এই আসনে বিতর্কিত চতুর্থ ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়া সব নির্বাচনে জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগ। শ্রীমঙ্গলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করা এক স্বতন্ত্র প্রার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলেন, ‘চা-শ্রমিকদের ৯০ শতাংশ ভোটারই ভোট দিতে যান। তাদের অধিকাংশই নৌকায় ভোট দেন। যতই তাদের নির্বাচনের আগে বুঝিয়ে বলুন না কেন, ভোটের সময় তারা নৌকাতেই ভোট দেন।’

এবার সেই ভোট কোনদিকে যাবে, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিচার-বিশ্লেষণ। এরই মধ্যে বিএনপি-জামায়াত, এনসিপি, সিপিবিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা চা-বাগানগুলো চষে বেড়াচ্ছেন; দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। স্থানীয় কয়েকজন চা-শ্রমিক নেতা বলেন, প্রার্থীরা নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও অনেক চা-শ্রমিকের মধ্যে ভোট নিয়ে কোনো আগ্রহ নেই। অনেকে আবার ভোটও দেবেন। যে দল বা নেতারা তাদের আশ্বস্ত করতে পারবেন, তারাই পাবেন তাদের ভোট।

এই অবস্থা শুধু মৌলভীবাজার-৩ আসনে নয়, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় সারা দেশেই নৌকার ভোট কোন দলের পক্ষে যাবে, তা নিয়ে চলছে আলোচনা। কারণ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত প্রতিটি নির্বাচনে নৌকার ভোট মোট কাস্ট হওয়া ভোটের ৩০ শতাংশের বেশি ছিল। ফলে রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফ্যাক্টর হিসেবে দেখা দিতে পারে নৌকার সমর্থকদের ভোট। যেহেতু এবারের নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নেই, তাই অন্য রাজনৈতিক দলগুলো চেষ্টা করছে কৌশলে নৌকার সমর্থকদের ভোট তাদের দিকে টানতে। ক্ষমতায় গেলে ক্লিন ইমেজের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নিরাপত্তা পাবেন, তাদের কোনো অসুবিধা হবে না- এমন আশ্বাসও শোনা যাচ্ছে বিএনপি, জামায়াতসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের মুখে। এদিকে এনসিপি আওয়ামী লীগের ভোট সরাসরি না চাইলেও হিন্দুসহ অমুসলিমদের ভোট টানতে তৎপর।

১৯৯১ সাল থেকে বিতর্কিত নির্বাচনগুলো ছাড়া সব নির্বাচনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০ দশমিক ৮১ শতাংশ ভোট নিয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। বিপরীতে আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৩০ দশমিক ০৮ শতাংশ, জামায়াত ১২ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং জাতীয় পার্টি ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ ভোট। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি ছাড়া অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ওই নির্বাচন বর্জন করে। ওই নির্বাচনের পর গঠিত সংসদের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ১২ দিন। ওই বছরের ১২ জুন অনুষ্ঠিত হয় সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ওই নির্বাচনে ৩৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। বিএনপি পেয়েছিল ৩৩ দশমিক ৬১ শতাংশ ভোট। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ এবং জামায়াত ৮ দশমিক ৬১ শতাংশ ভোট পায়। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের ৪০ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। বিপরীতে ৪০ দশমিক ১৩ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগ হয় বিরোধী দল। সেই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বাধীন ইসলামী জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং জামায়াত ৪ দশমিক ২৮ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ৫৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ভোট ছিল ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অন্যদিকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ৩৭ দশমিক ৬১ শতাংশ ভোট নিয়ে বিরোধী দল হয়। এর মধ্যে বিএনপির ভোট ছিল ৩২ দশমিক ৫ এবং জামায়াতের ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। এরপর যত নির্বাচন হয়েছে, তার মধ্যে একাদশ ছাড়া সব নির্বাচনই বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল বয়কট করে। ফলে সেগুলো গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। একাদশ নির্বাচনেও ব্যাপক কারচুরি করে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করায় তা ছিল বিতর্কিত।

এসব তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিতর্কমুক্ত নির্বাচনগুলোর মধ্যে কোনো নির্বাচনেই আওয়ামী লীগ ৩০ শতাংশের কম ভোট পায়নি। এতে স্পষ্ট, আওয়ামী লীগের বেশ ভালো ভোট রয়েছে। কিন্তু এবার দলটি নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। ফলে এই ভোটাররা কাকে ভোট দেবেন,  তা এবার দেখার বিষয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। এর মধ্যে অমুসলিম ভোটার প্রায় দেড় কোটি বলে জানা যায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের তথ্য থেকে। এই ভোটারদের মধ্যে বেশির ভাগই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা যায়, ৯০টি আসনে হিন্দু ভোটার ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ ৭০ হাজারের কাছাকাছি। ১০০টি আসনে ৫০ হাজার থেকে ৬৯ হাজার এবং ১১০টি আসনে ২৫ হাজার থেকে প্রায় ৪৯ হাজার। অমুসলিম এই ভোটারদের দিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি রয়েছে দলগুলোর। কারণ হিসেবে দলগুলোর নেতাদের ভাষ্য, সাধারণত এই ভোটগুলো আওয়ামী লীগের বাক্সে যায়। এবার নৌকা প্রতীক নেই নির্বাচনে। তাই ভোটগুলো নিজ দলের পক্ষে নিতে সক্রিয় সব দল। 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দল ও রাজনীতি বিশ্লেষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার আওয়ামী লীগের নেতাদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়া অনিশ্চিত। তবে কর্মী-সমর্থকদের একটা বড় অংশ ভোট দিতে যাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভোটকেন্দ্রে গেলে নৌকার সমর্থকেরা কাকে ভোট দেবেন এমন প্রশ্নে রাজনীতি বিশ্লেষকেরা বলেন, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা-হামলা করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। ফলে বিএনপির ওপর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা কমবেশি ক্ষুব্ধ। জামায়াত নেপথ্য থেকে আওয়ামী লীগ নেতাদের হয়রানি করলেও কৌশলগত কারণে প্রকাশ্যে তারা আওয়ামী লীগের খুব একটা বিরোধিতা করেনি। তাই বলে সব ভোট জামায়াত পাবে না। কারণ মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী সংগঠনটির বড় অংশ নীতিগত কারণেই জামায়াতকে ভোট দেবে না। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পেছনে সক্রিয় ছিল জামায়াত ও এনসিপি। তবে বিএনপি হঠাৎ করে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের পক্ষে ছিল না। অবশ্য সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পর তাতে সমর্থন জানায় বিএনপি। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ না থাকলেও এবারের নির্বাচনে আছে তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র জাতীয় পার্টি। সবকিছু মিলিয়ে নৌকার ভোট কোথায় যাবে তা নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। অবশ্য সরল সমীকরণ টেনে অনেকে বলছেন, আওয়ামী লীগ না থাকায় নৌকার বেশির ভাগ ভোট লাঙ্গলে পড়তে পারে।

হিসাবটা এত সহজ নয় বলেও মনে করছেন কেউ কেউ। তাদের মতে, নৌকার ভোট কয়েক ভাগে বিভক্ত হবে। এর পেছনে কাজ করবে ভোটারদের সঙ্গে প্রার্থীদের সম্পর্ক, আওয়ামী লীগের আদর্শের কাছাকাছি অবস্থান নেওয়া প্রার্থী এবং গণঅভ্যুত্থানের পর দলটির কর্মীদের ওপর বর্তমানে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থী বা তাদের কর্মীরা কতটা বৈরী আচরণ করেছেন এমন বিবেচনা। এর বাইরে নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যে নির্দেশনা আসবে, সেটাও ভোটের মাঠে মুখ্য ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ ও অমুসলিমদের ভোট টানতে নির্বাচনি সভাগুলোতে নানা প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাস দিয়ে চলেছে। এ জন্য তারা আলাদাভাবে অমুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে বৈঠকও করছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত শুক্রবার ঠাকুরগাঁওয়ে এক নির্বাচনি সভায় বলেন, ‘আমাদের হাসিনা আপা চলে গেছেন ভারতে। তিনি ভারতে গেছেন ভালো করেছেন। এলাকার সমর্থক-কর্মীদের বিপদে ফেলে গেছেন কেন? আমরা কর্মী-সমর্থকদের জানাতে চাই, আপনারা বিপদে পড়বেন না। আমরা আছি আপনাদের পাশে। যারা অন্যায় করেছে, তাদের শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, তাদের কোনো শাস্তি হতে দেব না।’

গত ৯ জানুয়ারি রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় এক নির্বাচনি সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী হারুনুর রশীদ বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কোনো প্রতীক নেই। ফলে আওয়ামী লীগের ভোটাররা কাকে ভোট দেবেন, সেটি তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তারা চাইলে জামায়াতে ইসলামী বা বিএনপিকে ভোট দিতে পারেন। কিন্তু কেউ যদি আওয়ামী লীগ করেন- এই অজুহাতে তাকে হয়রানি করা হয় বা ধরে নিয়ে যাওয়া হয়, তা মেনে নেওয়া হবে না।

তিনি আর বলেন, ইতিমধ্যে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে, যেখানে আওয়ামী লীগ করার অভিযোগ তুলে মানুষকে হয়রানি করা হয়েছে। তাই আমি স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই, যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা মামলা নেই, তাদের যেন কোনোভাবেই হয়রানি করা না হয়। তা না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমি নিজেই থানা ঘেরাও করব।

জামায়াত নেতাকর্মীদের কণ্ঠেও প্রায় একই সুর। সম্প্রতি কুমিল্লা-১১ আসনের এক নির্বাচনি জনসভায় আওয়ামী লীগের সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিবকে ‘ভাই’ সম্বোধন করে তার সমর্থকদের কাছে ভোট চান এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, ‘এবার তো মুজিব ভাই নেই। আগের অনুভূতিতে তো আমি দুই নম্বরে আছি। ইনশাআল্লাহ, আপনারা আমাকে ভোট দেবেন।’

এ প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম বলেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের যে মনোভাব, তাতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা ভোট দিতে খুব একটা যাবেন বলে মনে হয় না। আবার ভোটে গেলে সেই ভোট এককভাবে কেউ পাবে না। নানাভাগে ভাগ হবে ভোটগুলো।

আওয়ামী লীগের ভোট একক কোনো দল পাবে না বলে ধারণা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের। তার ধারণা, এই ভোট ভাগ হবে চার ভাগে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ভোটারদের মধ্যে একটা সামান্য অংশ হয়তো দলটি নির্বাচনে নেই দেখে ভোট দিতে যাবেন না। বাকিদের মধ্যে একটা অংশ ভোট দেবেন যেসব দল ইতোমধ্যে তাদের বুঝিয়ে আস্থা অর্জন করতে পেরেছে তাদের। দ্বিতীয়ত, একটা অংশ যারা আওয়ামী লীগের সাধারণ সমর্থক ছিলেন, তারা বিভিন্ন দলে ইতোমধ্যে মিশে গেছেন। তারা তাদের মতো ভোট দেবেন। তৃতীয়ত, দলটির তরুণ ভোটাররা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই করে প্রচার-প্রচারণা দেখে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন। চতুর্থত, আওয়ামী লীগের ভোটারদের বড় অংশ ফ্লোটিং ভোটার (ভাসমান ভোটার), তারাও ভোট দেবেন যে প্রার্থীর ওপর তারা আস্থা পাবেন তাদের।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!