× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রুবেল রহমান

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৬:৪৭ এএম

বিএনপির ইশতেহার

সংস্কার ও উন্নয়নের রোডম্যাপ আসছে

রুবেল রহমান

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৬:৪৭ এএম

রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে বিভিন্ন আসনে ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। নির্বাচনি প্রচারে উৎসবের আমেজ থাকলেও সাধারণ মানুষের মনে কাজ করছে সংঘাতের চাপা আতঙ্ক। এমন বাস্তবতায় আজ শুক্রবার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপির রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জুলাই জাতীয় সনদের সমন্বয়ে এই ইশতেহার প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয়, এতে থাকবে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা এবং বেগম খালেদা জিয়ার ভিশন ২০৩০-এর ছোঁয়া। এই ইশতেহারের অন্যতম লক্ষ্য, দেশের উন্নয়ন ও দুর্নীতি-অপশাসন মুছে দিয়ে সংস্কার বাস্তবায়ন।

আজ বেলা সাড়ে ৩টায় হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই ইশতেহার ঘোষণা করবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

বিএনপি সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান। সেই হিসাবে এটিই তার প্রথম নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা। পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম সংসদ নির্বাচনে দলের নেতৃত্ব দেন তৎকালীন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সেই সময় তিনি প্রতিটি নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেন। বিএনপির আগে এরই মধ্যে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে এবারের নির্বাচনে তাদের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) ইশতেহার ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইশতেহার ঘোষণার মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরেছে তাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি।

ইশতেহার প্রসঙ্গে বিএনপি বলছে, এতে মিথ্যা কোনো প্রতিশ্রুতি নয়। এবারের ইশতেহার সম্পূর্ণই জনমুখী। আশ্বাস নয়, বরং রাষ্ট্র পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও মানবসম্পদ রূপান্তরের একটি সমন্বিত রূপরেখা হিসেবে আজ ইশতেহার উপস্থাপন করতে চায় দলটি। আটটি প্যাকেজে সাজানো ইশতেহারে থাকছে বিএনপির দেশ গড়ার পরিকল্পনা। জুলাই-পরবর্তী নির্বাচনে এই ইশতেহারে মানুষের আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে বলেই মনে করছেন দলটির নেতারা।

বিএনপির ইশতেহারে যেসব বিষয় গুরুত্ব পাবে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম নারীদের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ। এ ছাড়া থাকবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড চালু করা, কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে কৃষকদের ভাগ্যের চাকা ঘোরানোর পরিকল্পনা, শিক্ষা ও চিকিৎসায় গুণগত পরিবর্তন আনাসহ ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের উন্নয়নসেবার পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের জন্যও থাকছে বিশেষ সুবিধা। আরও থাকছে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। মূলত বিভিন্ন সময়ে এবং নির্বাচনি জনসভাগুলোতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যের মূল বিষয়গুলো ইশতেহারে প্রতিফলিত হবে। বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের আদলে ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ তৈরির পরিকল্পনা এবং বিএনপি নির্বাচিত হলে ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের বিষয়টিও রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবে ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে বলে বিশ^স্ত সূত্র জানায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচনি জনসভায় তারেক রহমানের বক্তব্যে তার দেশ গঠনের পরিকল্পনা প্রশংসিত হচ্ছে মানুষের কাছে। তাদের বিশ্বাস, কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে সবকিছুই থাকবে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে। যেখানে তারেক রহমানের ভাবনায় ‘সবার আগে দেশ’, সেখানে ইশতেহারে মানুষের চাহিদার প্রতিফলন ঘটানোর সর্বোচ্চটা থাকবে বলে আশা গণমানুষের।

এ বিষয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, এবারের ইশতেহারে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, মানবাধিকার সুরক্ষা, বাকস্বাধীনতা, স্বচ্ছ প্রশাসন ও জাতীয় অর্থনীতি পুনরুদ্ধারসহ কয়েকটি প্রতিশ্রুতি থাকবে। দলটি ক্ষমতায় গেলে প্রতিটি পরিবারে প্রাপ্তবয়স্ক নারীর নামে ফ্যামিলি কার্ড চালু করবে, যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যায়। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে সার, উন্নত বীজ ও কৃষি প্রযুক্তি পাবেন কৃষক। প্রত্যেকের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াসহ শক্তিশালী প্রাইমারি হেলথকেয়ার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার বিষয়টি উল্লেখ থাকবে। চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা এবং দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার মাধ্যমে তরুণদের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ক্রীড়াকেও পেশা হিসেবে গ্রহণযোগ্য করতে সব স্তরে খেলাধুলার উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেবে বিএনপি। নবায়নযোগ্য শক্তি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও রিসাইক্লিং বাড়িয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করা হবে। কর্মসংস্থানে এসএমই, বস্ত্র, অর্থনীতি, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আইসিটি খাতে নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করা হবে। বিদেশি শ্রমবাজারে নতুন সুযোগ খুঁজে আরও বেশি তরুণকে পাঠানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, বেগম খালেদা জিয়ার ভিশন ২০৩০, তারেক রহমানের ৩১ দফার সঙ্গে জুলাই সংস্কারের বিষয়গুলোর সমন্বয়ে ইশতেহার প্রস্তুত করেছে বিএনপি।

সাম্প্রতিক এক জরিপে জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ৪৮ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে পছন্দ করছে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের ভোটারদের ২৯ শতাংশ জামায়াত, ৬ দশমকি ৫ শতাংশ এনসিপি এবং ১৩ শতাংশ এখন অন্যান্য দলকে পছন্দ করছে। আর ২ দশমিক ৪ শতাংশ ভোটার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। অন্যদিকে, প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাওয়া তরুণ ভোটারদের পছন্দের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী (৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ)। এরপর রয়েছে বিএনপি (২৭ শতাংশ) ও এনসিপি (১৭ শতাংশ)। ১৮.৬ শতাংশ তরুণ ভোটার এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছেন। কমিউনিকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিআরএফ) এবং বাংলাদেশ ইলেকশন অ্যান্ড পাবলিক ওপিনিয়ন স্টাডিজ পরিচালিত (বিইপিওএস) যৌথ জরিপে উঠে এসেছে এমন তথ্য। গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে ‘আনকাভারিং দ্য পাবলিক পালস : আ নেশনওয়াইড সার্ভে’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোটাররা এখন ধর্মীয় ইস্যুর চেয়ে সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। ৬৭ দশমিক ৩ শতাংশ ভোটারের কাছে আগামী নির্বাচনের প্রধান ইস্যু ‘দুর্নীতি’। ৬৩ শতাংশ ভোটার দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ৫৫ দশমিক ৪ শতাংশ উন্নয়ন এবং ৫১ শতাংশ নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিপরীতে ধর্মীয় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছেন ৩৫ দশমিক ৯ শতাংশ ভোটার। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সাধারণ ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে ভয়ভীতি প্রদর্শন, জালিয়াতি এবং ব্যালট দখলের আশঙ্কা করছেন। বিএনপির ৪৯ শতাংশ ও জামায়াতের ৭১ শতাংশ ভোটার মনে করেন, ভোটকেন্দ্রে ভয়ভীতির ঘটনা ঘটতে পারে। এ ছাড়া ব্যালট ছিনতাই ও সরকারি পক্ষপাতিত্ব নিয়ে ভোটারদের আশঙ্কার কথাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এদিকে চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর নির্বাচনে জিতলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফল স্থগিত রাখা হবে। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এমন আদেশ দিয়েছেন। আইনজীবীরা জানান, তারা নির্বাচন করতে পারবেন, তবে বিজয়ী হলে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত থাকবে। বিষয়টিকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে বিএনপি। বিএনপি নেতারা বলছেন, একটি একটি করে আসন কমানোর পরিকল্পনার বীজ বপন করে রাখছে প্রতিপক্ষ দল।

ভোটের আগেই উত্তাপ ছড়িয়েছে নকল ব্যালট ও স্ট্যাম্প। এসব বানাতে গিয়ে গত মঙ্গলবার রাতে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্মীপুর শাখার দুই নেতাকর্মী। এরই মধ্যে তাদের একজনকে ভোট জালিয়াতির মালমশলাসহ গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করলেও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নকশার দায় নিচ্ছে না জামায়াত। তবে বিএনপির অভিযোগ, বেশ কিছু জেলার চিহ্নিত বেশ কিছু আসন নিয়েই জামায়াতের এই ভোট জালিয়াতির নকশা সাজানো হয়েছে। ভোটের নকল ব্যালট ও স্ট্যাম্প তৈরির খবর মিললেও শক্ত প্রমাণ না থাকায় এত দিন তারা আভাসে-ইঙ্গিতে নানা অভিযোগ করেছে। কিন্তু বুধবার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বয়ং সেই অভিযোগের বোমা ফাটান তার বরিশালের নির্বাচনি জনসভায়। তিনি জানান, কীভাবে জামায়াতে ইসলামী ভোট জালিয়াতির নকশা পাকা করেছে। তারেক রহমান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের সকাল-সন্ধ্যা সতর্ক থাকতে হবে। আমরা বিভিন্ন জায়গায় খবর পাচ্ছি জাল ব্যালট পেপার ছাপা হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিকাশ নম্বর চাওয়া হচ্ছে। একটি দলের কর্মী-সমর্থকেরা জাল ব্যালট পেপার পকেটে করে নিয়ে তা বাক্সে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে তারেক রহমান এসব ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

এদিকে রাজধানীর পুরান ঢাকার সূত্রাপুরে জামায়াতের এক সদস্যের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ক্রিকেট খেলার ১৫২টি স্ট্যাম্প উদ্ধার করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। সূত্রাপুর থানার পুলিশ তিন ঘণ্টারও বেশি সময় উদ্ধার অভিযানে বাড়ির নিচতলা ও ওপরের একটি কক্ষ থেকে প্লাস্টিকের বস্তায় থাকা এসব স্ট্যাম্প জব্দ করেন। অভিযান প্রসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, ১৫২টি স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে বাড়ির মালিককে। তবে কাউকে গ্রেপ্তার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। দশতলা এই ভবনেই কসমোপলিটন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এটি একটি ভোটকেন্দ্রও। বিএনপি নেতাদের প্রশ্ন, এত স্টাম্প দিয়ে কী করতে চায় তারা? এ ছাড়া জামায়াত আমিরের নির্বাচনি আসন থেকে বিপুল পরিমাণ বাঁশ উদ্ধারের খবর জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!